আসসালামু আলাইকুম । আজকে আমরা যে মেডিসিন নিয়ে আলোচনা করব। সেটার নাম হচ্ছে মিকোবাল । মিকোবাল মেডিসিন কি বর্তমানে এবং নিজস্ব ধর্ম পাওয়া যায়। আজকে মিকোবাল মেডিসিন কি কি সমস্যার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। এর খাওয়ার নিয়ম এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া এবং সহজভাবে আলোচনা করব। মিকোবাল মেডিসিনের নাম হচ্ছে মিকোবালামিন একটি জেনারেল ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড কোম্পানির পোর্টেবল মেডিসিন।
এটি মূলত ভিটামিন বি টুয়েলভ এর অভাব জনিত সমস্যায় ব্যবহার করা হয়। ভিটামিন বি টুয়েলভ এর অভাবজনিত সমস্যা বিভিন্ন লক্ষণগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে হাত পায়ে ঝিনঝিন করা । বাবাসহ জলন হওয়া রক্তস্বল্পতা বা এনিমিয়া দ্রুত স্বাসপ্রস্বাস বা শ্বাসকষ্ট , দৃষ্টিশক্তি সমস্যা, স্মৃতিশক্তি ও চিন্তাধারার সমস্যা, বেশি দুর্বলতা, মাথাব্যথা , বদহজম, ক্ষুধামন্দা, ডায়রিয়া, জিহ্বা সমস্যা, স্নায়ু বা মস্তিষ্কের সমস্যা।
শরীরকে রক্তের কোষ তৈরি করতে সহায়তা করে
উদ্বেগ ভারসাম্যহীনতা সহ আরও বিভিন্ন সমস্যা থাকতে পারে। এটি শরীরে রক্তের কোষ তৈরিতে সাহায্য করে। অর্থাৎ এটিএম নিয়ার চিকিৎসায় উপযুক্ত ভূমিকা রাখে । নার্ভের বিভিন্ন সমস্যায় এটি ব্যবহার হয়। বিশেষ করে মস্তিষ্ক ও মেরুদণ্ডের বিভিন্ন সমস্যা হাত পিছনে লাগা হাঁটাচলার খেতে অসুবিধা । আর বিভিন্ন বাহুতে রক্ত সঞ্চালনের সমস্যা সরিলাকা ঝিনঝিন চিনচিন করে ব্যথা অনুভব করা।
পড়াশোনা করতে সমস্যা হওয়া অবাক হওয়ার মত অনুভূতি। আরো বিভিন্ন সমস্যার ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার হতে পারে । মেডিসিন পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি ক্ষেত্রে এবং ডায়াবেটিক নিউরোপ্যাথি ক্ষেত্রেও ব্যবহার করা হয়। উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় একটি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে পারে। প্রস্রাবের সমস্যা বা পুরুষত্বে সমস্যা বিভিন্ন ওষুধ সেবনের জন্য বিভিন্ন সমস্যার সৃষ্টি ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার হতে পারে। আর এর সমস্যায় পিঠের নিচের অংশে ব্যথা তার মেরুদণ্ডের ব্যথা বিভিন্ন অংশে আঘাতের ব্যথা।
কোবলামিন যা কোবল্টের সাথে মিথাইল গ্রুপের ভিটামিন বি ১২
প্যারালাইসিস সমস্যায় পাঁজরের হাড়ের সমস্যা মাথা মুখে ব্যথা । একমাসের টান অনুভব করা এছাড়াও নিউরোপ্যাথির যেকোনো সমস্যায় এটি ব্যবহার হতে পারে । মিকোবাল মেডিসিন গুরুত্ব গর্ভস্থ স্তন্যদানকালে ব্যবহার না করাই উত্তম। অর্থাৎ এটি অনুমোদিত নয় এটি বাচ্চাদের জন্য উপযুক্ত নয় প্রাপ্তবয়স্ক দেখেতে দিনে সর্বোচ্চ তিনটা ট্যাবলেট পর্যন্ত বৃহত্তম ।
যে এটি খাওয়ার আগে বা পরে খাওয়া যেতে পারে। তবে ভরা পেটে খাওয়াই উত্তম মেডিসিন টি অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নেবেন। আর একজন ডাক্তার একটি রোগী সার্বিক দিক বিবেচনা করে। একটি ওষুধ এবং তার নাম নির্ধারণ করতে পারেন । মেডিসিন এর পার্শপ্রতিক্রিয়া আছে যেমন ক্ষুধামন্দা অরুচি বমি বমি ভাব ডায়রিয়া পরিপাকতন্ত্রের বিভিন্ন সমস্যা । ত্বকে ফুসকুড়ি আরো বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে। সবাই সুস্থ থাকুন। আল্লাহ হাফেজ।





