প্রিয় দর্শক, আপনাদের মধ্যে অনেকেই রয়েছেন। বিভিন্ন ধরনের ভিটামিনের ঘাটতি রয়েছে। এর মধ্যে একটি ভিটামিন হচ্ছে ভিটামিন ডি। এই ভিটামিন ডি এর ঘাটতির কারণে আপনার শরীরে বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। যা আপনার মনের অজান্তে। সেই অবস্থায় আজকে এই ভিটামিন ডি এর ঘাটতির কারণে আপনার শরীরের কোন কোন ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে চলেছেন বা কোন কোন ধরনের সমস্যা ফেস করতে হবে সামনের দিকে।
সে অবস্থায় বলছি, আপনারা যদি আমাদের চ্যানেলের নতুন সদস্য হয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করে দিবেন। কারণ হচ্ছে আমরা প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ধরনের ঔষধ নিয়ে আপডেট দিয়ে থাকি বা স্বাস্থ্য হেলথ নিয়ে টিপস দিয়ে থাকি। যা আপনাদের নিত্য প্রয়োজনে কাজে আসে। আমরা আর সময় নষ্ট করব না। খুব দ্রুত ভাবে জেনে আসি। আমাদের শরীরে যদি ভিটামিন ডি এর ঘাটতি থাকে তাহলে আমরা কিভাবে বুঝতে পারব
কোন কোন লক্ষণ দ্বারা আমরা বুঝতে পারব আমাদের ভিটামিন ডি এর ঘাটতি রয়েছে। যেটি বলব সেটি হচ্ছে আমাদের শরীরে ভিটামিন ডি এর ঘাটতি পড়বে। তখন কিন্তু আমাদের শরীরের ওজনটা হুড়হুড় করে বেড়ে যাবে। যেমন খুব দ্রুত ভাবে তিন থেকে ছয় মাসের ভিতরে আপনার কয়েক গুণ ওজনটা বেড়ে যেতে পারে। যেমন পাঁচ কেজি, সাত কেজি, তিন কেজি এরকম দ্রুত ভাবে বাড়তে পারে আপনার ওজন।
দীর্ঘমেয়াদী ভিটামিন ডি অভাবের লক্ষণ
সে অবস্থায় বলা হয়, যাদের ভিটামিন ডি এর ঘাটতি রয়েছে সেই ক্ষেত্রে আপনার ওজনটা বাড়তে পারে। এ অবস্থায় রয়েছে চুল পড়া। চুলপড়া। বেশিরভাগ দেখা যায় মহিলাদের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় এবং পুরুষদের বা ছেলেদের রয়েছে সমস্যা। অনেকেই মনে করেন ভিটামিন ই এর কারণে বা মাল্টিভিটামিন এর কারণে আপনার চুল পড়তেছে। আসলে তেমনটা নয়। আপনার ভিটামিন ডি এর কারণেও কিন্তু চুল পড়তে পারে। তাছাড়াও আপনার চুলকে সবল, সতেজ এবং শক্ত রাখতে বা চুলের গোড়া টাকে সবল রাখতে আপনার কিন্তু
ভিটামিন ডি এর পর্যাপ্ত পরিমাণে কমপ্লিট রাখতে হবে। আপনার শরীরে যতটুকু পরিমাণে প্রয়োজন আপনার শরীরে ভিটামিন ডি থাকা সেই পরিমাণে যদি না থাকে সেই ক্ষেত্রে কিন্তু চুল হারাতে পারেন। চুলের গোড়াও সতেজ থাকবে না এবং চুল সিল্কি লাগবে না। আমরা দুটি পয়েন্ট পেলাম। এরপর আমরা আরো কয়েকটি পয়েন্ট জানব। ফাস্টিং আমরা কী রাখলাম? হুড়হুড় করে আপনার ওজনটা বৃদ্ধি পেতে পারে।
দুই নাম্বারে অবস্থায় আপনার চুল পড়তে রয়েছে। আপনার ভিটামিন ডি এর ঘাটতি থাকে বা যদি কমতি থাকে শরীরের মধ্যে সেই অবস্থায় আপনার মানসিক অবসাদ ঘটতে পারে। একটি গবেষণায় আমেরিকাতে দেখা গেছে শরীরের পাশাপাশি আপনার মনটাকে নিয়ন্ত্রণ করতেও বা মনকে সতেজ রাখতেও ভিটামিন ডি এর প্রয়োজন। কারণ হচ্ছে, আপনার মনকে নিয়ন্ত্রণ করতে যেগুলা অন্যান্য ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট দেয়, সেই সাথে কিছু ভিটামিন ডি ও সাপোর্ট দিতে পারে মনটাকে ঠিক রাখতে।
কম ভিটামিন ডি লক্ষণ মহিলাদের
পাশাপাশি আপনার বিষণ্ণতা, ডিপ্রেশন বা মানসিক যদি অবসাদ থাকে তাহলেও। কিন্তু আপনি ভিটামিন ডি গ্রহণ করার ফলে আপনার এই ধরনের সমস্যাটা চলে যেতে পারে। সমস্যা হচ্ছে পিঠের মধ্যে ব্যথা বা মেরুদণ্ডের ব্যথা বা আপনার কোমরের ব্যথা। শরীরের জয়েন্টে জয়েন্টে ব্যথা বা হাড়ের মধ্যে ব্যথা এই ধরনের। যাদের শরীরের অঙ্গ প্রত্যঙ্গে ব্যথা বা পেটের মধ্যে বেশিরভাগ দেখা যায়। বয়স্কদের ক্ষেত্রে এই ধরনের যদি ব্যথা থাকে, সেই ক্ষেত্রে আপনার বুঝে নিতে হবে হাড়ের কোন ধরনের সমস্যা রয়েছে বা অস্টিওপোরেসিস বা হাড় ক্ষয় রোগ রয়েছে। এই ক্ষেত্রে কি করতে হবে?
ভিটামিন ডি পর্যাপ্ত পরিমাণে নিতে হবে। অবশ্যই মনে রাখবেন, যদি আপনার এই ধরনের কোনো কারণ ছাড়া অযথা আপনার কোনরকম ব্যথা আসতেছে। বড়ির মধ্যে এরকম লক্ষ করছেন। কোনো কারণ ছাড়াই নড়াচড়া বা হোচট খাওয়া ছাড়া বা কোন ধরনের আঘাত প্রাপ্ত হওয়া ছাড়া আপনার মাথা ব্যথা অনুভূত হয়। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসতে দিন দিন বাড়তেছে। টেস্টে। তাহলে অবশ্যই মনে করতে হবে আপনার শরীরে ভিটামিন ডি এর ঘাটতি রয়েছে।
তাছাড়াও এই যদি এই লক্ষণ ছাড়াও আপনি যদি জেনে নিতে চান আপনার ভিটামিন ডি ঘাটতি রয়েছে কিনা, সেই ক্ষেত্রে ভিটামিন ডি একটা টেস্ট রয়েছে। ব্লাড টেস্ট সেটি আপনারা ডায়গনস্টিক সেন্টারে গিয়ে টেস্ট করে নিতে পারেন। সাথে সাথে রেজাল্ট দিয়ে দিতে পারে বা সকালে দিলে বিকালে রেজাল্ট দিয়ে দিতে পারে।
ভিটামিন ডি এর অভাব চিকিত্সার ডোজ
আপনারা জেনে নিতে পারেন আপনার ভিটামিন ডি কতটুকু রয়েছে। আপনার শরীরে যদি ঘাটতি থাকে তাহলে অবশ্যই দুধ, ডিম, মাছ, মাংস প্রচুর পরিমাণে গ্রহণ করতে হবে। তাছাড়াও যারা এই কয়েকটা প্রবলেম তুলে ধরলাম যদি এগুলা প্রবলেম থাকে বা আপনি যদি মনে করেন আপনার ভিটামিন ডি ঘাটতি রয়েছে বা আপনি শরীরটাকে সতেজ করতে চান বা শক্তি আনয়ন করতে চান, অবশ্যই মনে রাখবেন ভিটামিন ডি কিন্তু আপনার শক্তি আনয়ন করে।
অনেক সময় যারা ফুটবল খেলে বা খেলোয়ার রয়েছেন বা ক্রিকেট খেলেন বা যারা আপনার জিম করেন তাদের কিন্তু পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন ডি দরকার। যদি ডি থাকে শরীরে তাহলে শক্তি আনয়ন হবে। তাছাড়াও যেগুলা চুল পড়া, মানসিক অবসাদ, হাড় ক্ষয়, এছাড়াও শরীরে ব্যথা এগুলা যারা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন তাদের ক্ষেত্রেও কিন্তু ভিটামিন ডি দারুণ ভূমিকা রাখতে পারে তো?
ডি আমরা সাধারণত জানি সূর্যের আলো থেকে আমরা পাই। তবে সূর্যের আলোটা সঠিক ভাবে নিতে পারে না অনেকে। অফিস টাইম হয় আপনার দশটার পর, এগারটার পর, বারোটার পর। সেই ক্ষেত্রে আপনার কিন্তু সঠিকভাবে ভিটামিন ডি পাচ্ছেন না। শরীরের মধ্যে অবশ্যই মনে রাখবেন সকালে সূর্যের যে ভিটামিন টা আসে সূর্য থেকে যেমন ছয়টা থেকে বা সাতটা থেকে সকাল দশটার ভিতরে যে ভিটামিন ডি তে আসে সূর্য থেকে সেটি হচ্ছে আপনার পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি।
ভিটামিন ডি এর অভাব ডোজ চার্ট
সেই সময় যদি আপনি সূর্যের নিচে থাকতে পারেন সেই ক্ষেত্রে আপনার পর্যাপ্ত পরিমাণে ডি পেতে পারেন। তাছাড়া আপনি যদি দুপুরের বেলায় আপনি সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির নিচে থাকেন সেক্ষেত্রে কিন্তু আপনার স্কিনের সমস্যাও সৃষ্টি হতে পারে। সেক্ষেত্রে বলা যায় যে, সকাল সকাল উঠে আপনি যদি সূর্যের নিচে থাকেন বা খেলাধুলা করেন, কাজ করেন সেই ক্ষেত্রে কিন্তু ভিটামিন ডি ই পেয়ে যেতে পারেন।
এছাড়া যদি এভাবে যদি আপনি না পান সেই ক্ষেত্রে আপনি খাবারের মাধ্যমে পেতে পারেন। তাছাড়াও বাংলাদেশীয় ওষুধ কোম্পানি বা বিশ্ব বাজারে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিভিন্ন ধরনের ক্যালসিয়াম ডি তৈরি করেছে। তার মধ্যে রয়েছে ভিটামিন, ক্যালসিয়াম প্লাস, ভিটামিন ডি। দুইটা মেডিসিন একসাথে কম্বিনেশন করে দেয়া হয়েছে যাতে করে সুফল বয়ে আনে মানুষের শরীরে। এর মধ্যে রয়েছে ব্র্যান্ডেড ব্রান্ডেড ঔষধ।
বাংলাদেশে যেমন কোরাল ক্যান্ডি, রেডিয়েন্ট ফার্মাসিউটিক্যালসের স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের রয়েছে ক্যাল বডি। আবার এর ক্যালরি রয়েছে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের। রেনেটা ফার্মাসিউটিক্যালসের রয়েছে ক্যালসিয়াম ডি বা কড়া ডি বা এল ডি। এরকম বিভিন্ন ব্র্যান্ডে বিভিন্ন কোম্পানি রয়েছে ব্র্যান্ডেড ওষুধ, যেগুলো গ্রহণ করার ফলে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম আনয়ন হবে আমাদের শরীরে।
অস্টিওপরোসিস এবং ফ্র্যাকচার (ভাঙা হাড়)।
তবে কার কতটুকু শরীরে প্রয়োজন ভিটামিন, ক্যালসিয়াম ডি তৈরি সেটি ডাক্তার বা চিকিৎসক জানতে পারেন বা আপনার টেস্টের মাধ্যমে জানতে পারেন। অযথা গ্রহণ করবেন না। কারণ হচ্ছে অতি পরিমাণে বা বেশি পরিমাণে যাদের ধরনের ক্যালসিয়াম গ্রহণ করেন তাতে কিন্তু আপনার কিডনিতে পাথর সৃষ্টি হতে পারে।
কারণ হচ্ছে তার বডিতে প্রয়োজন 500 মিলিগ্রাম। আপনি গ্রহণ করছেন এক হাজার মিলিগ্রাম প্রতিদিন এবং একটি নির্দিষ্ট কোর্স রয়েছে এক মাস দুই মাস আপনি গ্রহণ করছেন ছয় মাস পর্যন্ত। এতে করে কী হবে? আপনার প্রয়োজন অনুসারে আপনি বেশি পরিমাণে নিচ্ছেন। পাঁচ কেজি নিতে পারবেন। আপনি দশ কেজি নিয়ে নিচ্ছেন। আপনার মাথা ঘুরে পড়ে গেছে। হাড্ডি ভেঙে গেছে। একটি উদাহরণ দিলাম।
এই রকমটা করবেন না। চিকিৎসক যতটুকু দিবেন ঠিক ততটুকুই গ্রহণ করবেন। তাতে করে আপনি উপকৃত হবেন। তো বন্ধুরা আশা করি উপকৃত হয়েছেন। সবাই সুস্থ থাকুন, ভালো থাকুন। ধন্যবাদ।





