টাডালাফিল 10

টাডালাফিল আমাদের অনেকেরই পরিচিত একটা ওষুধ তো ওষুধটা পুরুষের ইরেকটাইল ডিসফাংশন সমস্যায় ব্যবহার করা হয় এই ওষুধের ডোজ কিরকম হবে ওষুধের সাইড ইফেক্ট কি এবং ওষুধটা আসলে খাওয়াটা ঠিক হবে কিনা এবং কখন খেতে হয় এরকম ওষুধ নিয়ে অনেক কনফিউশন আছে এছাড়াও এই ওষুধের সাথে সিলডেনাফিলের একটা তুলনা করা হয় তো সবকিছু নিয়ে কথা বলব আজকের এই আছি আমি মোহাম্মদ হিরোক ক্লিয়ার কনসেপ্টের ফাউন্ডার এবং আমি একজন ফার্মাসিস্ট জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি ফার্ম সম্পন্ন করেছি

শুরুতে আসি যে টালাইফিলের কিছু পরিচিত ব্র্যান্ড নেম
যেমন ইন্টিমেট এডিস্টা নির্ভানা পেনফিল ফিল তো ইন্টিমেটটা আমরা অনেকেই নামটা জানি তো এখন আসি যে এই ওষুধটা কতভাবে পাওয়া যায় বাজারে অবশ্যই এটা যেহেতু ট্যাবলেট আকারে পাওয়া যাচ্ছে এটার চারটা স্ট্রেন্থ আছে অর্থাৎ চারটা পাওয়ারে পাওয়া যায় একটা হচ্ছে 25 মিলিগ্রাম আরেকটা হচ্ছে 5 মিলিগ্রাম 10 মিলিগ্রাম এবং 20 মিলিগ্রাম তো এই চারটার কখন কোনটা ব্যবহার করা হয় এবং ডক্টরদের পরামর্শে আমরা কিভাবে এটা খাবো তো এই সবকিছু নিয়ে কথা বলব

তো এখন আসি যে এই পুরো জুড়ে যেহেতু আমরা খুব বিস্তারিত আলোচনা করছি কি কি থাকছে এখানে থাকছে ওষুধটা কখন ব্যবহার করা হয় ওষুধটা খাওয়ার সঠিক নিয়মটা কি কারা এই ওষুধটা খেতে পারবে না ওষুধটা খেলে কি কি সাইড ইফেক্ট হতে পারে আর এই সিলডেনাফিল এবং টালাফিলের মধ্যে পার্থক্য যে কোনটা ভালো কোনটা কখন খাওয়া হয় এই বিষয়গুলো নিয়ে আমরা জানবো এবং যারা নতুন বিয়ে শাদী করেছে তাদের এর জন্য কিছু কথাবার্তা রয়েছে এটা এমন কোন না যে আমি আপনাকে চিকিৎসা দিচ্ছি এটা এমন যা আপনাকে এসব ওষুধ নিয়ে আরো জানতে বুঝতে শিখতে হেল্প করবে শুরুতে বলি টাডালাফিল কখন ব্যবহার করা হয় আমরা অনেকেই জানি এটা পুরুষের ইরেকটাইল

ডিসফাংশন সমস্যায় ব্যবহার করা হয় যেখানে।

ট্যাডালাফিল কতটুকু খাওয়া উচিত?

পুরুষাঙ্গ ঠিকমত শক্ত না হওয়ার একটা সমস্যা রয়েছে যার কারণে ঠিকঠাক সেই ব্যক্তি সহবাস করতে পারে না তো এই টালাফিল কি করে পুরুষের ইরেক্টাল ডিসফাংশন সমস্যা যাতে না হয় যে পুরুষাঙ্গ আছে এখানে রক্ত চলাচলটা বাড়িয়ে দিয়ে এই সমস্যার সমাধান করে আরেকটা সমস্যা ব্যবহার সেটা হচ্ছে বিনাইন প্রোস্টেটিক হাইপারপ্লেসিয়া এটা দেখা যায় পুরুষের যে প্রোস্টেট গ্রন্থিটা আছে এটা বড় হয়ে যায় যাকে আমরা বলতেছি যে এনলার্জ প্রোস্টেট তো এইটা যখন বড় হয়ে যাচ্ছে তখন কি এই যে ইউরিনে কিন্তু সমস্যা দেখা যাচ্ছে অর্থাৎ মূত্রনালীতে একটা চাপ তৈরি হওয়ার কারণে প্রোসাআপটা।


ঠিকমত হচ্ছে না বা প্রোসাপ করতে সমস্যা দেখা যাচ্ছে তো এই সমস্যা হলে ডক্টর আপনাকে কিন্তু এই টালাফিল ওষুধটা দিচ্ছে অর্থাৎ আপনার মনে হতে পারে যে আমি কেন এই টালাফিল ওষুধটা খাচ্ছি তো এইটা একটা অন্যতম কারণ তো শুরুতে আসি যে টালাফিল খাওয়ার আগে আপনাকে কি করতে হবে টালাফিল খাওয়ার আগে আপনাকে বুঝতে হবে যে আপনার ইডি মানে হচ্ছে ইরেক্কটাইল ডিসফাংশন আছে কিনা অর্থাৎ এই ইরেক্টাইল ডিসফাংশন সমস্যাটা আপনাকে ডক্টর বিভিন্নভাবে জেনে বুঝে তারপরে ডায়াগনোসিস করবে যে হ্যাঁ আপনার এটা আছে কি নাই যদি আপনার থেকে থাকে তারপরে কি করতে হবে আপনাকে আরো জিনিস।


দেখতে হবে সেটা হচ্ছে আপনার হৃদ রোগ আছে কিনা আপনার উচ্চ রক্তচাপ আছে কিনা আপনার কিডনি বা লিভারের সমস্যা হয় কিনা আপনি কি অ্যালকোহল সেবন করেন কিনা এই সবকিছু চিন্তাভাবনা করার পরে ডক্টর আপনাকে ওষুধ দিবে তো এখন আসি যে এই টালফেল খাওয়ার সঠিক নিয়মটা কি নিয়মটা হচ্ছে এই ওষুধটা কিন্তু 36 ঘন্টা পর্যন্ত কাজ করে মানে আপনি যদি একবার ওষুধটা খান এটা 36 ঘন্টা পর্যন্ত আপনার কাজ করবে এখন এই ওষুধটা কিন্তু 36 ঘন্টা পর্যন্ত সাথে কাজ করতেছে তার মানে দিনে একটার বেশি খাওয়া যাবে না অনেকে কি মনে করে যে ডিউরেশন বাড়ানোর জন্য দেখা যায় একটা জায়গায় দুইটা ওষুধ।

ট্যাডালাফিল 2.5 মিলিগ্রাম ব্যবহার করা যাবে কি?


খেয়ে নিচ্ছে এটা কিন্তু একদমই করা যাবে না এখন আসি যে ওষুধটা খাওয়ার নিয়ম কি এটা হচ্ছে সহবাস শুরু করার 30 মিনিট থেকে এক ঘন্টা আগে ওষুধটা খেতে হবে এখন ফ্যাটি খাবার দাবারের সাথে আপনি চেষ্টা করবেন এই ওষুধটা না খাওয়ার এতে দেখা যায় ওষুধের অ্যাবসর্পশন কিছুটা কমে যেতে পারে তবে ভালো হয় দেখা যায় আপনি যদি খালি পেটে খান বা হালকা কিছু খেয়ে নিলেন তারপরে ওষুধটা খেলেন এখন আসি যে এই টালাফিল কোন কোন ডোজটা কাদের জন্য আমরা শুরুতে জেনেছি যে এখানে 25 মিলিগ্রাম ফাইভ মিলিগ্রাম 10 মিলিগ্রাম 20 মিলিগ্রাম এই চার ধরনের স্ট্রেন্থে ওষুধটা পাওয়া যায় তো অবশ্যই
আপনি ডক্টরের পরামর্শ ব্যবহার করবেন।

তো এই ওষুধটা দেখা যায় সাধারণত 10 মিলিগ্রাম দিয়ে অনেকের ক্ষেত্রে শুরু করা হয় তবে অবস্থা ভেদে পাঁচ মিলিগ্রাম অথবা তার থেকে কম অথবা যদি দরকার হয় ডোজ অনুযায়ী 20 মিলিগ্রাম যেটা নির্ধারণ করবে একজন ডক্টর তো সেটা দুই ভাবে ব্যবহার করা একটা হচ্ছে প্রতিদিনই দেখা যায় অনেক রোগীর প্রতিদিন খেতে হয় আবার অনেক রোগেরই যখন দরকার হচ্ছে তখন খাচ্ছে এখন এই ওষুধটা কারা খেতে পারবে না দেখা যায় অনেকেরই এনজাইনা বা হার্টের সমস্যার কারণে বুকে ব্যথা হয় তো যাদের বুকে ব্যথা হয় তাদের কিন্তু নাইট্রোগ্লিসারিন ট্যাবলেট খেতে হচ্ছে তো।


নাইট্রোগ্লিসারিন ট্যাবলেট যারা খাচ্ছে অথবা আইসোসরবাইট যে ওষুধটা খাচ্ছে এগুলো খাওয়াকালীন এই টালাফিল খাওয়া যাবে না একসাথে খেলে কি করবে এটি রক্তচাপ বিপদজনকভাবে কমিয়ে দিতে পারে তো এই টালাফিল ওষুধের সাথে কয়েকটা ওষুধের ইন্টারেকশন আছে যাকে আমরা আমরা বলি ড্রাগ ড্রাগ ইন্টারেকশন তো দেখেন শুরুতে এই দুইটা ওষুধের কথা বলেছি এই দুইটা ওষুধের সাথে আছে এরপর হচ্ছে আলফা এনার্জিক ব্লক আর যে ওষুধগুলো অ্যান্টি হাইপারটেনসিভ যে এন্টি হাইপারটেনসিভ কি যে ওষুধগুলো ব্লাড প্রেসার কমায় তো যারা ব্লাড প্রেসার কমানোর ওষুধ খাচ্ছেন তারা কিন্তু ওষুধটা।

Tadalafil 10mg অর্ধেক জীবন?

চিন্তা ভাবনা করে খেতে হবে অ্যান্টাসিডের সাথে একসাথে খাওয়া দরকার নেই অ্যান্টাসিড খাচ্ছেন সেই সাথে টালেফেল খাচ্ছেন এমনটা খাওয়া যাবে না কিটোকোনাজল যে এন্টিফাঙ্গাল আছে ইট্রাকোনাজল যে এন্টিফাঙ্গাল তো এগুলোর সাথে এসবটা খাওয়া যাবে এরপর হচ্ছে গ্রেপ ফ্রুট জুস এরপর হচ্ছে কারবামেজিপাইন এই ওষুধগুলো খাওয়ার আগে এবং এই ওষুধের সাথে টাডালাফিল খাওয়া যাবে না চিন্তা ভাবনা করে খেতে হবে এখন আমরা কথা বলি টাডালাফিল খাওয়ার পর পরই কিছু সাইড ইফেক্ট দেখা যায় যেমন খুব কমন একটা সাইড ইফেক্ট হচ্ছে মাথা ব্যথা এটা দেখা যায় 15% মানুষের ক্ষেত্রে মাথা।


ব্যথা সমস্যা দেখা যায় এরপর অনেকের বদ হজম হতে পারে পিঠে ব্যথা হতে পারে দেখা যায় লালাপ ভাব বা ফ্লাশিং হতে পারে অনেকেরই এরপর হচ্ছে নাক বন্ধ বা সর্দি সমস্যা দেখা যায় ব্যথা দেখা যায় তো এই সাইড ইফেক্ট গুলো মনে রাখবেন এটা কিন্তু কমন সাইড ইফেক্ট ওকে তো এখন আসি গুরুতর কিছু সাইড ইফেক্ট হয় অনেকের দেখা যায় চোখ বা কানে সমস্যা হয় চোখে কম দেখছে বা ঝাপসা দেখছে বা কানে একটু কম শুনছে বা ঝিঝি শব্দ শুনছে এরপর বুকে ব্যথা হতে পারে দেখা যায় যে এই টালাফিল খাওয়ার পর পর সহবাস করলে বা থেকে দেখা যায় যাদের হার্টের সমস্যা আছে তখন বুকে ব্যথা হতে
পারে বা হার্টের সমস্যা না থাকলেও কারো যদি বুকে ব্যথা হয় সেক্ষেত্রে ডক্টরের পরামর্শ নিতে হবে তো এখন আসি যাদের মাত্র বিয়ে হয়েছে অনেকের কিন্তু প্রশ্ন থাকে যে ।

ট্যালারাফিল খাবো কি খাবো না বা খাওয়াটা কি জরুরি কি জরুরি না তো অনেকেই কিন্তু এই ওষুধটা খেয়ে থাকে তো কেন খায় অনেকে পারফরমেন্স এংজাইটিতে ভুগে পার্টনারের সাথে আমার পারফরমেন্সটা কেমন হবে এটা কি ভালো হবে কি খারাপ হবে যাতে বিয়ের পরপরই অনেকেরই কিন্তু মাথার মধ্যে এই জিনিসটা আসে টাইম ডিউরেশনের ব্যাপারটা আসে সে কতটা স্যাটিসফাইড এই জিনিসগুলো আসে তো এই ক্ষেত্রে অবশ্যই আপনার পার্টনারের
সাথে খুব ভালো একটা সম্পর্ক করতে হবে এই বিষয়গুলো নিয়ে আপনার তার সাথে কথা বলতে হবে তাহলে দেখবেন জিনিসটা অনেক সহজ হয়ে গেছে এখন আসি কিউরিসিটি অনেকেই দেখা যায় যে এই একবার খেয়ে দেখি কেমন হয় একবার ইউজ করেই দেখি তো এই কারণে দেখা যায় কিউরিসিটির কারণে অনেকে ওষুধটা খাচ্ছে তো ওষুধ কিন্তু নিয়মিত খেয়ে গেলে কিন্তু একটা অভ্যস্ততা তৈরি হয় যার ফলে দেখা যায় পরবর্তীতে ওষুধটা না খেলে কিন্তু সহজে ইরেকশনটা হতে চাবে না তো এজন্য ওষুধগুলো খাওয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই সতর্ক হতে হবে এখন আমরা চলে আসি যে সিলজেনাফিল এবং টাডালাফিলের মধ্যে কোনটা সবচেয়ে ভালো।

Tadalafil কিডনির জন্য ক্ষতিকর?

এটা কিন্তু দারুন একটা ব্যাপার সো মনোযোগ দিয়ে দেখেন তো সিলডেনাফিল এবং টালাফিল দুইটার কাজ কিন্তু একই রকম দুইটা একই রকম ভাবে কাজ করে আমরা শুরুতে বলেছি যে এটা কি করে পুরুষাঙ্গের রক্তের প্রবাহটা বাড়িয়ে দেয় যার ফলে দেখা যায় ইরেকশনটা হতে খুব সহজ হয় তো এই ওষুধটা দুইটা সিলডেনাফিল টালাফিল একইভাবে কাজ করতেছে কিন্তু পার্থক্যটা হচ্ছে সিলডেনাফিল একটু আগে দেখি যে এটা 30 থেকে 60 মিনিটেই কাজটা শুরু করতেছে খাওয়ার পর পরই 30 থেকে 60 মিনিটের মধ্যে কাজ শুরু হয়ে যাচ্ছে তো এটা অ্যাক্টিভ থাকতেছে কতক্ষণ অর্থাৎ এটা কার্যকর থাকছে চার থেকে ছয় ঘন্টা আর এটা।


কিন্তু তাৎক্ষণিক প্রয়োজনের জন্য ভালো মনে করেন আপনার 30 থেকে 40 মিনিট বা আধা ঘন্টার মধ্যেই দরকার তো সেক্ষেত্রে ওষুধ খেয়ে আপনি শুরু করতে পারবেন তো এটা কিন্তু তাৎক্ষণিক প্রয়োজনের জন্য ভালো এখন আসি টালাফিলের ক্ষেত্রে এটার আসলে ভালো দিক কোনটা তো টালাফিল খাওয়ার পর 30 থেকে দুই ঘন্টা সময় লাগে এটা কাজ শুরু করতে কিন্তু এটা কিন্তু কার্যকর কিন্তু 36 ঘন্টা এখানে আমরা দেখেছি সিল্নাফিল মাত্র চার থেকে ছয় ঘন্টা আর এটা কি 36 ঘন্টা পর্যন্ত কার্যকর থাকে এবং দীর্ঘ সময়ের জন্য এটা উপযুক্ত অনেকের ক্ষেত্রে দেখা যায় উইকেন্ডে অর্থাৎ সপ্তাহে ধরেন তার
একবার দরকার এই সময় খেয়ে দেখা যায় খাচ্ছে তো সেই ক্ষেত্রে টালাফিলটা কার্যকর এবং অনেক সময় ধরে কাজ করে তো আমরা যদি আরেকবার দুইটা একসাথে দেখি যে টাইম ডিউরেশনটা একটু দেখেন চার থেকে ছয় ঘন্টা কার্যকর থাকে এটা 36 ঘন্টা অর্থাৎ ।

টারালফিল দীর্ঘ সময়ের জন্য এন্ড সিলেনাফিল হচ্ছে তাৎক্ষণিক প্রয়োজনের জন্য ভালো এখন আসি যে ইরেকশনের হার্ডনেস কতটা ইরেকশন বেশি দিবে তো সিলডেনাফিল কিন্তু কিছুটা শক্তিশালী তো টাটাফিলের ক্ষেত্রে কিন্তু এটা দীর্ঘ সময় ধরে বজায় থাকে তবে সিলডেনাফিলের থেকে হার্ডনেস কিছুটা কম এরপর হচ্ছে কোনটি ব্যবহার করবেন
আমি শুরুতে বলেছি যে সিলড্রেনাফিল হচ্ছে তাৎক্ষণিক প্রয়োজনের জন্য আর টালাফিল হচ্ছে দীর্ঘ সময়ের কার্যকরের জন্য এখন আমরা এই ছবিটা দেখে একটু বোঝার চেষ্টা করি ।

এই যে যে অনসেট অফ অ্যাকশন যাকে আমরা বলতেছি যে কাজটা শুরু করবে কে কত দ্রুত এখানে টাইমটা বলা আছে 30 থেকে 60 মিনিট এখানে 30 মিনিট থেকে দুই ঘন্টা আর ডিউরেশন কে কত গুণ থাকবে চার থেকে ছয় ঘন্টা এটা 36 ঘন্টা পর্যন্ত আর ডোজের ব্যাপারটা তো আমরা জানি যে সিলডানাফিল 25 মিলিগ্রাম থেকে শুরু 25 মিলিগ্রাম থেকে 100 মিলিগ্রাম পর্যন্ত আর টালাফিল কিন্তু 10 থেকে 20 মিলিগ্রাম না তো এর আগেও কিন্তু আছে যে 25।


এবং 5 মিলিগ্রাম আছে এবার হচ্ছে ফ্লেক্সিবিলিটি এটা কিন্তু দেখা যায় ইমিডিয়েট ইউজের জন্য ভালো এটা যখন আপনি প্ল্যান করে রাখছেন যে স্পন্টেনিয়াস ইউজ দেখা যায় 36 ঘন্টা মানে আপনি চাচ্ছেন যে কয়েকবার দিনে ঠিক আছে পুরো পুরো দিন জুড়ে বা কয়েকবার মানে ব্যাপারটা বুঝতে তো পারছেন যে একটা প্ল্যান করে রাখছেন আপনি এরপর হচ্ছে ইরেকশনের হার্ডনেস তো এটাকে বললাম কিছুটা বেশি এটা লং লাস্টিং ওকে সুইটেবল ফর এটা শর্ট সময়ের জন্য এটা হচ্ছে লং সময়ের জন্য ওকে তো এরপর আসি আমরা যে ওষুধ ছাড়াও কিন্তু স্বাভাবিক উপায় আছে খুব সংক্ষেপে আমি বলে যাচ্ছি
ওষুধ ছাড়াও কিন্তু আপনি স্বাভাবিকভাবে এই যে ইরেক্টাইল ডিসফাংশন সমস্যাটা কমায় আনতে পারবেন আপনার পারফরমেন্স কিন্তু আপনি ভালো করতে পারবেন সেটা হচ্ছে প্রতিদিন হাঁটতে হবে হবে আপনাকে 30 মিনিট যদি আপনি হাঁটেন তাহলে কিন্তু ইরেক্টাল ডিসফাংশনের ঝুঁকি 41% কমতে পারে এই যে আমি তথ্যগুলো বলছি এটি কিন্তু এমনি এমনি কিন্তু তথ্য না হচ্ছে হারভার্ড মেডিকেলের যে আর্টিকেল রয়েছে সেই আর্টিকেল থেকে এই তথ্যগুলো নেওয়া এবং তার মানে মডারেট এক্সারসাইজ কিন্তু আপনার ইরেক্টাল ডিসফাংশনের ঝুঁকি 41% কমায় আনতে পারে এরপর হচ্ছে সঠিক খাবার খাওয়া যেমন ফল শাকসবজি গোটা শস্য।


মাছ বেশি পরিমাণে খাওয়া এবং লাল এবং প্রক্রিয়াজাত যে মাংস আছে এটা কমিয়ে আনা হচ্ছে ভাস্কুলার স্বাস্থ্যের যত্ন স্বাস্থ্য কি রক্তনালী রিলেটেড যে আমাদের স্বাস্থ্য তো রক্তনালীর সম্পর্ক কার সাথে জড়িত উচ্চ রক্তচাপের সাথে জড়িত ডায়াবেটিসের সাথে জড়িত কোলেস্টেরলের সাথে জড়িত তো ডায়াবেটিসটাকে আপনার নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে উচ্চ রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে কোলেস্টেরলকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে তো এগুলো এগুলো যদি আপনি করতে পারেন তাহলে কিন্তু আপনার যে রক্তনালীটা ঠিকঠাক মতো থাকবে এবং ইরেক্টাল ডিসফাংশনের যে সমস্যা এটাও কিন্তু কমে।


আসবে এরপর হচ্ছে ওজন কমানো স্লিম থাকা ওজন কমিয়ে আপনি ইরেক্টাল ডিসফাংশনের ঝুঁকিটা কমিয়ে আনতে পারবেন তো এখন কেগাল এক্সারসাইজ নামে কিন্তু একটা এক্সারসাইজ আছে যেটা হচ্ছে যেটাকে আমরা অনেকে পেলভিক ফ্লোর এক্সারসাইজ বলি তো এই এক্সারসাইজের মাধ্যমে কিন্তু পুরুষাঙ্গের দৃঢ়তা বাড়ে সো এই ব্যায়ামটা আপনারা youtube থেকে দেখে আরো বিস্তারিত জেনে এটা করতে পারেন এখন আমরা আসি যে যুবকদের অনেক যুবকদেরই ক্ষেত্রে এই ইরিক্কটাইল ডিসফংশ দেখা যায় এটা ফিজিওলজিক্যাল কারণ না ফিজিওলজিক্যাল কারণ ছাড়াও কিন্তু এটা দেখা যায় সাইকোলজিক্যাল ফ্যাক্টরের কারণে হতে পারে।


যেমন লো সেলফ এস্টিম নিজেকে অনেক ছোট মনে করা যে আমার দ্বারা হবে কি হবে না তো বা নিজেকে দেখা যায় পার্টনারের থেকে ছোট মনে করছে বা ডিপ্রেশনে অনেকে ভোগে তো এই সময় দেখা যায় চাকরি বাকরি নিয়ে স্ট্রেস ডিপ্রেশন সাংসারিক বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে সেক্ষেত্রে কিন্তু এই ইরেক্টাইল ডিসফাংশনটা হতে পারে তো ইরেক্টাল ডিসফাংশনের অনেকগুলো কারণ রয়েছে আমরা দুই একটা লিংক কমেন্টে দিয়ে দেবো যেগুলো আমাদের পূর্ববর্তী গুলো তো ওইগুলো একবার দেখে নিবেন কি কি কারণে ইরেক্টাল ডিসফাংশন হতে পারে তো এখন আমরা আসি টালাফিল নিয়ে কমন পাঁচটি প্রশ্নের।


উত্তর তো প্রথমে অনেকে জিজ্ঞেস করে টালাফিল কতক্ষণ কার্যকর আমরা বলেছি যে এটা 36 ঘন্টা পর্যন্ত কার্যকর আপনি যদি একটা প্ল্যান করেন যে আমি আমি দেড় দিন বা দুইদিনের জন্য একটা প্ল্যান করছি কোথাও যাব বা কোথাও তো সেই ক্ষেত্রে একটা ব্যাপার আছে তো এজন্য অবশ্যই আপনি একটু ডক্টরের সাথে কথাবার্তা বলে নেবেন আর নরমালি যদি আপনার সবকিছু থাকে তাহলে ওষুধটা কেন খাবেন আপনার শক্তি বাড়ালে তো খুব দরকার নাই তাই না নরমালি লিড করেন তাহলে দেখবেন ব্যাপারটা খুব ইজি হয়ে যাচ্ছে এরপর হচ্ছে টারালাফিলের সাধারণ ডোজ কত টালাফিল দেখা যায় সাধারণভাবে যদি আপনি।


দেখা যায় মাঝেমধ্যে সেক্ষেত্রে 10 মিলিগ্রাম বা যদি আপনার মনে হয় যেটা 10 মিলিগ্রাম বেশি হয়ে যাচ্ছে আপনি পাঁচ মিলিগ্রাম খেতে পারেন আমি একটু ক্লিয়ার করি এখানে আপনি যখন এক্সাইটেড হচ্ছেন আপনার পার্টনারের সাথে তখন কিন্তু ইরেকশন হবে তাছাড়া কিন্তু নরমাল সময় ইরেকশন হবে না আপনি সেটা খেয়ে রাখছেন মানে সবসময় যে ইরেকশন থাকবে এরকম না আপনি যখন পার্টনারের সাথে কন্টাক্টে যাচ্ছেন তখন ইরেকশনটা হবে এরপর আসি যে টার্টালফিল কি দ্রুত কাজ করে না এটা কাজ করতে সিলেনাফিলের থেকে একটু বেশি সময় নাই প্রায় 30 মিনিট থেকে দুই ঘন্টা অনেকের ক্ষেত্রে 30 মিনিট বা এক।


ঘন্টার মধ্যে হয়ে যেতে পারে অনেকের ক্ষেত্রে দুই ঘন্টা পর্যন্ত সময় লাগতে পারে এবার হচ্ছে সাইড ইফেক্ট কি এটা আপনাকে মনে রাখতে হবে এটা কিন্তু তো মাথা ব্যথা হজমের সমস্যা নাক বন্ধ সর্দি মাথাগোড়া পিঠে ব্যথা এই সমস্যাগুলো দেখা দিতে পারে এরপর আসি যে কোন ধরনের খাবার টাফের সাথে খাওয়া যাবে না খাবারের সাথে খুব একটা সম্পর্ক নাই তবে ফ্যাটি খাবার বা আপনি যখন অ্যালকোহল অ্যালকোহল খাচ্ছেন বা ভারী খাবার খাচ্ছেন সেক্ষেত্রে এটা একটু তখন এটা খাওয়াটা বিরত রাখতে হবে তখন দেখা যায় একটু পরে খেলেন আচ্ছা আর অ্যালকোহলের সাথে কিন্তু একদমই টালাইফিল খাওয়া যাবে।


না সেক্ষেত্রে কিন্তু অনেক বড় ঝুঁকি রয়েছে আমাদের আরেকটা ও আছে সঠিক ব্যবহার প্রায় 15 মিনিট এটা 1 লক্ষেরও বেশি মানুষ দেখেছে তো যে ভিগোরেক্সটা আছে ভিগোরেক্সটা কিভাবে ব্যবহার করতে হয় এটার নিয়ম কি সবকিছু আমরা আলোচনা করেছি এবং এই আমরা আরো আলোচনা করেছি যে এই সিলারাফেল টারাফেল কিভাবে কাজ করে এটা সাইড ইফেক্ট কি কি হতে পারে এবং এখানে আমরা আলোচনা করেছি ইরেক্টাল ডিসফাংশন কোন কোন কারণে বেশি দেখা যায় তো এই অনেক ইনফরমেটিভ আপনারা এটা দেখে নিবেন তো এখন আপনাদেরকে বলি যে নিজের যত্ন নিবেন নিজের সম্পর্কের
যত্ন নিবেন আপনার পার্টনারের সাথে আপনি কথা বলবেন ব্যাপারগুলো নিয়ে নিজেরা ।

আরো আলোচনা করবেন এই জিনিসগুলো তাহলে দেখবেন অনেক সহজ হয়েছে দেখেন ভাই একদমই ঘেমে গেছি তো এখন এখানে শেষ করতে হচ্ছে আর এই তে অবশ্যই আপনি একটা লাইক করে দেবেনশেয়ার করে দেবেন এবং সাবস্ক্রাইব করে না থাকলে অবশ্যই সাবস্ক্রাইব করবেন এখন একটা ছোট্ট একটা এক মিনিট একটা যাবে যেটা আমরা আমাদের কোর্স নিয়ে কথা বলছি যারা আমাদের এই দেখছেন আপনি হয়তো কোন একটা ফার্মেসি পরিচালনা করেন আপনার জন্য এই সো সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন।


দেখা হচ্ছে পরবর্তী তে ডাক্তারের রুম থেকে বের হয়ে ওষুধ নেয়ার জন্য জন্য আমাদের যেতে হয় ফার্মেসিতে আর ওই ফার্মেসিতে থাকা ব্যক্তি যদি ওষুধ নিয়ে ভালো জ্ঞান রাখে তাহলে তার দ্বারা ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায় এজন্য আমরা আয়োজন করেছি ফার্মেসি টেকনিশিয়ান এডুকেশন প্রোগ্রাম যাদের ফার্মেসি আছে ভবিষ্যতে ফার্মেসি দিতে চান অথবা যারা কোন ফার্মেসিতে কর্মরত আছেন সবাই আমাদের এই কোর্সটি করতে পারবেন শহর থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত গ্রামের একটি ফার্মেসি পর্যন্ত আমরা এই এডুকেশন প্রোগ্রামটি পৌঁছে দিতে চাই এর মাধ্যমে সে 39 টি যে ওটিসি মেডিসিন

Leave a Comment