আলাইকুম। আশা করি ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন। চর্মরোগের সমস্যা সমাধানে আজকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং কার্যকরী একটি ওষুধ নিয়ে আপনাদের সাথে কথা বলব। আর সেটা হচ্ছে ডার্মাটোলজি সলিউশন। সম্পূর্ণ দেহের বহিরাগত অংশে ব্যবহার করার জন্য এই শক্তিশালী ডার্মাটোলজি ওষুধটি শরীরের চর্মরোগের বিরুদ্ধে ব্যাপকভাবে কাজ করে থাকে। ওষুধটি কোন কোন চর্মরোগের বিরুদ্ধে সবথেকে ভালো কাজ করে? কিভাবে ব্যবহার করতে হয়? সম্পূর্ণ ভালো হতে কতদিন ব্যবহার করতে হবে?
আর এটা ব্যবহার করার ক্ষেত্রে বিশেষ কোন নিয়ম কানুন আছে কি না, কারা ব্যবহার করতে পারবেন আর কারা ব্যবহার করতে পারবেন না ইত্যাদি বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানোর চেষ্টা করব। তো চলুন কথা না বাড়িয়ে আলোচনা শুরু করা যাক। আর হ্যাঁ, এই ধরনের আরও তথ্যমূলক আলোচনা পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। ডার্মাটোলজিস্ট সলিউশন চর্মরোগের বিরুদ্ধে ব্যাপক ভাবে কাজ করে থাকে। তারমধ্যে সব থেকে বেশি যে রোগের বিরুদ্ধে কাজ করে তা হচ্ছে সকল প্রকার দাউদ। মহিলাদের দুই স্তনের ভাজে দাউদ।
পেট বা পিঠে দাউদ। দুই রানের চিপার মধ্যে চুলকানি বা দাউদ হলে অথবা আন্ডার গার্মেন্টস পড়ার ফলে যে ধরনের চুলকানি হয় তার বিরুদ্ধে। অতিরিক্ত পানিতে কাজ করার ফলে। হাতের নখের চিপায় ঘা হলে বা পায়ের নখের চিপায় সাদা স্যাতসেতে চুলকানি হলে। এছাড়া পিটার, ইয়াসির ফার্সি কালার রাজমা, নেইল মাইটোসিস ইত্যাদি রোগের বিরুদ্ধে এলার্ম সিস্টেম সলিউশন টি ব্যাপক ভাবে কাজ করে থাকে। ডার্মাটাইটিস সলিউশন বাজারে নিয়ে এসেছে অ্যাডভান্সড কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড।
ডার্মাসিম ক্রিম এর কাজ কি
আর প্রতি এক পার্সেন্ট সলিউশনের মধ্যে রয়েছে দশ মিলিগ্রাম মাসল। ফাঙ্গাল ইনফেকশন কারণে হাত বা পায়ের নখ নষ্ট হয়ে যাওয়ার মতো ঘটনা রীতিমতো দেখা যায়। মেডিকেলের ভাষায় এই রোগটিকে বলা হয় নেইল মাইটোসিস। খেয়াল করে দেখবেন, এই রোগটি যখন হয় তখন নখ আপনা আপনিই মরে যায়। প্রথম দিকে দেখতে অনেকটা হলুদ ভাব ধারণ করে এবং ক্ষয় হতে শুরু করে। এই ধরনের নেইল মাইটোসিস চিকিৎসায় দৈনিক কয়েক ফোটা সিম সলিউশন ব্যবহার করলে দারুণ কার্যকারিতা প্রদর্শন করে।
এ ছাড়া বগলের নিচে এক প্রকার চুলকানি হয়ে থাকে যা দেখতে খুবই বিচ্ছিরি এবং বাজে লাগে। এই রোগটি হলে প্রচুর চুলকায় এবং চুলকাতে চুলকাতে অনেক সময় রক্ত পর্যন্ত বের হয়ে যায়। সাধারণত এই রোগ হলে অনেক ওষুধপত্র খেয়েও ভালো হতে চায় না। এই ধরনের বগলের নিচে চুলকানি হলে সেই রোগের বিরুদ্ধে ডার্মাটোলজি সলিউশন টি দারুণ কাজ করে থাকে দাউদ হলে। বিশেষ করে গোল চক্রাকার যে দাউদ গুআলাইকুম। আশা করি ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন। চর্মরোগের সমস্যা সমাধানে আজকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং কার্যকরী একটি ওষুধ নিয়ে আপনাদের সাথে কথা বলব।
আর সেটা হচ্ছে ডার্মাটোলজি সলিউশন। সম্পূর্ণ দেহের বহিরাগত অংশে ব্যবহার করার জন্য এই শক্তিশালী ডার্মাটোলজি ওষুধটি শরীরের চর্মরোগের বিরুদ্ধে ব্যাপকভাবে কাজ করে থাকে। ওষুধটি কোন কোন চর্মরোগের বিরুদ্ধে সবথেকে ভালো কাজ করে? কিভাবে ব্যবহার করতে হয়? সম্পূর্ণ ভালো হতে কতদিন ব্যবহার করতে হবে? আর এটা ব্যবহার করার ক্ষেত্রে বিশেষ কোন নিয়ম কানুন আছে কি না, কারা ব্যবহার করতে পারবেন আর কারা ব্যবহার করতে পারবেন না ইত্যাদি বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানোর চেষ্টা করব।
ডার্মাসিম লিকুইড
তো চলুন কথা না বাড়িয়ে আলোচনা শুরু করা যাক। আর হ্যাঁ, এই ধরনের আরও তথ্যমূলক আলোচনা পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। ডার্মাটোলজিস্ট সলিউশন চর্মরোগের বিরুদ্ধে ব্যাপক ভাবে কাজ করে থাকে। তারমধ্যে সব থেকে বেশি যে রোগের বিরুদ্ধে কাজ করে তা হচ্ছে সকল প্রকার দাউদ। মহিলাদের দুই স্তনের ভাজে দাউদ। পেট বা পিঠে দাউদ। দুই রানের চিপার মধ্যে চুলকানি বা দাউদ হলে অথবা আন্ডার গার্মেন্টস পড়ার ফলে যে ধরনের চুলকানি হয় তার বিরুদ্ধে। অতিরিক্ত পানিতে কাজ করার ফলে।
হাতের নখের চিপায় ঘা হলে বা পায়ের নখের চিপায় সাদা স্যাতসেতে চুলকানি হলে। এছাড়া পিটার, লো হয়ে থাকে। এই ধরনের দাউদের বিরুদ্ধে। পেট বা পিঠে দাউদ। দুই রানের চিপার মধ্যে চুলকানি বা দাউদ হলে অথবা আন্ডার গার্মেন্টস পড়ার ফলে যে ধরনের চুলকানি হয় তার বিরুদ্ধে। অতিরিক্ত পানিতে কাজ করার ফলে। হাতের নখের চিপায় ঘা হলে বা পায়ের নখের চিপায় সাদা স্যাতসেতে চুলকানি হলে। এছাড়া পিটার, লো হয়ে থাকে।
এই ধরনের দাউদের বিরুদ্ধে ডার্মাটোলজি সলিউশন ভালো কাজ করে। যেমন দাউদের বিশেষ একটা ধর্ম হল রোগটি বার বার ফিরে আসা। চিকিৎসা করা হলেও সম্পূর্ণভাবে সেরে গেলেও রোগটি আবার ফিরে আসে। কিন্তু ডার্মাটোলজি সলিউশন দিয়ে চিকিৎসা করলে এই রোগটি ফিরে আসার আর কোনো সম্ভাবনা থাকে না। এই ধরনের দাউদ শরীরের যে কোনো অঙ্গে হতে পারে, এমনকি দাউদ কিন্তু মাথায় হতেও দেখা যায়। অনেক সময় শরীরে সাদা সাদা ছোপ ছোপ দেখা যায়। মেডিকেলের ভাষায় এই রোগের নাম পিটার ইয়াসিন।
ডার্মাসিম ব্যবহারের নিয়ম
ফার্সি কালার। সাধারণত এগুলো রোদে গেলে কিট কিট করে কামড়াতে পারে বা হালকা চুলকাতে পারে। একসময় সারা শরীরে এটা ছড়িয়ে পড়ে। মূলত শরীরে, গলা এবং পিঠে এই রোগটা বেশি হতে দেখা যায়। এই ধরনের চর্মরোগ হলে কোনো ক্রিম বা ট্যাবলেটে ভালো হতে চায় না। এই রোগগুলো নির্মূল করতে ডাক্তাররা সাধারণত এই ডার্মাটোলজি সলিউশন টি সাজেস্ট করে থাকেন। এবার আসুন জানা যাক চর্মরোগের চিকিৎসায় এই ডার্মাটাইটিস সলিউশন টি কিভাবে ব্যবহার করতে হবে।
প্রথমেই বলে রাখি এই ওষুধ একটা দাহ্য পদার্থ টাইপের। তাই এই ওষুধ যখন ব্যবহার করবেন তখন আগুন থেকে দূরে থাকতে হবে। আর এটি শুধুমাত্র বাহ্যিক ব্যবহার করার জন্য। কোন ভাবেই যাতে চোখে বা মিউকাস মেমব্রেন না লাগে সেদিকে সতর্ক থাকতে হবে। আক্রান্ত স্থানে ডার্মাটোলজি সলিউশন টি এক থেকে দুই ফোটা করে দিনে দুই থেকে তিন বার ব্যবহারযোগ্য। প্রাপ্ত বয়স্ক ছাড়া এই সলিউশন টি ব্যবহার করার ক্ষেত্রে এবং ওষুধের সঠিক ডোজ পেতে অবশ্যই একজন ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে ব্যবহার করা উচিত। কারণ একজন ডক্টর রোগীর অবস্থা দেখে সঠিক ডোজটি নির্ধারণ করে দিতে পারে।
আর প্রেগনেন্সি অবস্থায় সাধারণত প্রথম তিন মাস পর থেকে ওষুধটি ব্যবহার করা যেতে পারে। তারপরও প্রেগনেন্সি এবং দুধ দানকালে অবশ্যই একজন চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়েই ব্যবহার করা উচিত। ডার্মাটোলজি সলিউশন টি সকল ফার্মেসিতে পাওয়া যায়। ঔষধ কেনার আগে মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ দেখে ক্রয় করবেন।
ডার্মাসিম: ব্যবহার, পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া, মিথস্ক্রিয়া
আর এর মূল্য মাত্র পঞ্চাশ টাকা। ওষুধটি আগুন থেকে দূরে এবং শিশুদের নাগালের বাইরে রাখা উচিত। চর্মরোগের বহুল ব্যবহৃত এই সি ঔষধটি সম্পর্কে আপনার আর যদি কোন প্রশ্ন বা মতামত থাকে তাহলে কমেন্ট করে জানাতে পারেন। আপনার কমেন্টসের যথাযথ রিপ্লাই দেয়ার চেষ্টা করা হবে। সেই পর্যন্ত ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন এবং সকল ঔষধ একজন ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে সেবন করুন।





