ভাইরক্স 400এমজি ট্যাবলেট

আসসালামু আলাইকুম। ভিউয়ার্স স্বাস্থ্যবার্তা ইউটিউব চ্যানেলের পক্ষ থেকে আপনাদেরকে জানাচ্ছি স্বাগতম সকলের সুস্বাস্থ্য এবং দীর্ঘায় কামনা করে নতুন আরেকটি বিজ্ঞপ্তি নিয়ে আপনাদের মাঝে হাজির হয়েছি । মূল বিজ্ঞপ্তি যাওয়ার আগে আমার চ্যানেলটিতে যদি আপনি নতুন হয়ে থাকেন। তাহলে সাবস্ক্রাইব করে দিয়ে পাশে থাকবেন ধৈর্য সহকারে আমার বিজ্ঞপ্তিটি প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত দেখবেন।

আমি সবসময় চেষ্টা করি সকল ওষুধের যাবতীয় তথ্য খুব সুন্দর সহজ এবং সাবলীল ভাষায় আপনাদের সামনে তুলে ধরার জন্য তারপরেও যদি ওষুধ নিয়ে কোন প্রশ্ন থাকে বা কোন তথ্য জানার থাকে কমেন্টস বক্সে কমেন্টস করে জানিয়ে দিতে পারেন আমি উত্তরের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবঅ আজকে যে ওষুধটি নিয়ে আলোচনা করব ওষুধটির নাম হচ্ছে ভাইরাক্স ভাইরাক্স হচ্ছে একটি অ্যান্টিভাইরাল ড্রাগ উক্ত ওষুধের গ্রুপ নেম হচ্ছে এসাইক্লোবির ভাইরাক্স তৈরি করেছেন স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড।

উক্ত ওষুধটি চারটি ক্যাটাগরিতে বাজারে পাওয়া যায় 200 মিলিগ্রাম এর ট্যাবলেট 400 মিলিগ্রামের ট্যাবলেট সিরাপ পাওয়া যায় 70 ml এর বোতল যার এক চামচ আছে 200 মিলিগ্রাম ওষুধ এবং ক্রিম পাওয়া যায় 10 গ্রামের টিউব আকারে উক্ত ওষুধের অল্টারনেট যে ওষুধগুলো বাজারে পাওয়া যায়। সেগুলো হলো ভাইরোক্সি ক্লোভিরাক্স ক্লোভির এবং ভিরোনিল আজকে আলোচনা করব।

ওষুধটির দৈনিক মাত্রা ওষুধটির নির্দেশনা ওষুধটির পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ওষুধটির গর্ভাবস্থায় এবং স্তন্যদান কালে ব্যবহার করা যাবে কিনা এবং ওষুধটির বর্তমান বাজার মূল্য কত সে বিষয়ে আলোচনা করব ধৈর্য সহকারে বিজ্ঞপ্তি টি দেখতে থাকুন ভাইরাস যে রোগের জন্য ডাক্তার লিখে থাকেন সে রোগগুলো হচ্ছে চিকেন পক্স বা জল বসন্ত হারপেস সিমপ্লেক্স ভাইরাস টাইপ ওয়ান এবং টাইপ টু বা জ্বর ঠোসা হারপেস জোস্টার এবং জেনিটাল হারপেস এ রোগগুলোর জন্য ডাক্তাররা ভাইরাস লিখে থাকেন উক্ত ওষুধের দৈনিক মাত্রা বা ডোজ হচ্ছে পূর্ণবয়স্ক রোগের জন্য 200 থেকে 400 মিলিগ্রামের ট্যাবলেট চার ঘন্টা পর পর 24 ঘন্টায় পাঁচ বার চার ঘন্টা পরপর যদি ছয় বার হয় সেক্ষেত্রে রাতের সর্বশেষ ডোজটা বন্ধ থাকবে।

এভাবে পাঁচ থেকে 10 দিন দুই বছরের বেশি বয়সী শিশুদের জন্য বড়দের সমান ডোজ এবং দুই বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য বড়দের ডোজের অর্ধেক একটি কথা বলে নেই এখানে ট্যাবলেট যেহেতু পাঁচবার খেতে হয় সেক্ষেত্রে রোগের মাত্রা যদি বেশি হয় সাথে ক্রিম ক্রিমও লিখে থাকেন এই ক্রিমটাও পাঁচবার লাগাতে হবে অর্থাৎ যেই টাইমে ওষুধ খেতে হয় সে একই টাইমেও ক্রিমটাকে লাগাতে হবে চিকন পক্স এর ক্ষেত্রে ওষুধের ডোজটা একটু ভিন্ন ধরনের যেমন পূর্ণবয়স্ক ও 40 কেজি বেশি ওজনের রোগীদের জন্য 800 মিলিগ্রাম করে দিনে চারবার পাঁচ দিন 40 কেজির কম ওজনের রোগীদের জন্য 20 মিলিগ্রাম প্রতি কেজি ওজনের জন্য প্রতিবার দিনে চারবার এক মাস থেকে দুই বছরের বাচ্চাদের জন্য এক চামচ করে করে দিনে চারবার পাঁচ দিন দুই থেকে পাঁচ বছরের বাচ্চাদের জন্য দুই চামচ করে চারবার পাঁচ দিন এবং ছয় থেকে 12 বছরের রোগীদের জন্য 800 মিলিগ্রাম করে দিনে চার বার পাঁচ দিন উক্ত ওষুধটির তেমন কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই তবে সকল ওষুধের কিছু কমন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া থাকে।

যেমন বমি ভাব বমি মাথা ঘুরানো বা ডায়রিয়া উক্ত ওষুধটি গর্ভাবস্থায় বা স্তনদানকালে ব্যবহার করার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে সেক্ষেত্রে এবং ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে দেওয়াটাই সবচেয়ে ভালো হবে কারণ গর্ভাবস্থায় ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোন ওষুধ সেবন করা উচিত নয় উক্ত ওষুধটির বর্তমান বাজার মূল্য হচ্ছে 200 মিলিগ্রামের ট্যাবলেট 14 টাকা প্রতি পিস 400 মিলিগ্রামের ট্যাবলেট 22 টাকা প্রতি পিস 70 এমএল এর সিরাপ পাওয়া যায় 125 টাকা এবং 10 গ্রামের টিউব পাওয়া যায় 70 টাকা

ভাইরক্স 400এমজি ট্যাবলেট (Virox 400 mg Tablet) সাধারণত অ্যাসাইক্লোভির (Acyclovir) নামে একটি অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি বিভিন্ন ভাইরাসজনিত সংক্রমণের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়, যেমন:

ভাইরক্স 400এমজি ট্যাবলেট

ব্যবহারের ক্ষেত্র:

  • হার্পিস সিমপ্লেক্স ভাইরাস (Herpes Simplex Virus) সংক্রমণ
  • জোস্টার (Zoster) বা শিংলস
  • চিকেনপক্স (Chickenpox)
  • জেনিটাল হার্পিস
  • মুখে বা ঠোঁটে ঘা (Cold sores)

ডোজ:

ডোজ রোগ অনুযায়ী এবং ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী পরিবর্তিত হতে পারে। সাধারণভাবে:

  • প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য দিনে ৩ থেকে ৫ বার ৪০০ এমজি করে খাওয়া হতে পারে।
  • শিশুদের ডোজ বয়স ও ওজন অনুযায়ী ঠিক করা হয়।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া (Side Effects):

  • বমি বমি ভাব বা বমি
  • মাথাব্যথা
  • ডায়রিয়া
  • পেটব্যথা
  • দুর্বলতা বা মাথা ঘোরা
  • কিডনির সমস্যা (অত্যাধিক মাত্রায় সেবনে বা দীর্ঘমেয়াদে)

সতর্কতা:

  • কিডনির রোগ থাকলে সাবধানে ব্যবহার করতে হবে।
  • গর্ভবতী বা স্তন্যদানকারী মায়েদের ক্ষেত্রে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।
  • পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে, কারণ এটি কিডনিতে চাপ ফেলতে পারে।

আপনি যদি এটি ব্যবহার করতে চান, তবে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শে নিন।

Leave a Comment