মিটফোর্ড এলাকা থেকে ডায়াবেটিক ইনজেকশনটা প্রতিপিস আট টাকা করে ক্রয় করে তারা 10 টাকায় যারা বিক্রি করছেন ঘুমের ইনজেকশন কে। চেতনানাশক জি প্যাথেডিন ইনজেকশনের কনফিগার করে আমরা সেই চক্রের আমরা তিন জনকে গ্রেপ্তার করেছি। আমরা অনেকের নাম এবং নাম্বার পেয়েছি। আসামীদের আমরা জিজ্ঞাসাবাদ করলাম।
তখন তাদের একজন আমাদেরকে বলেন যে, মো আলমগীর খান সে মিটফোর্ড এলাকা থেকে সেটা জি ডায়াজিপাম ইনজেকশন প্রতিপিস আট টাকা করে ক্রয় করে এবং বাসায় এনে উক্ত এই যে ইনজেকশনটা জি ডায়াফ্রাম নির্দেশনা দেয় সেটা এসিডের মধ্যে দিয়ে ভিজিয়ে রেখে অ্যাম্পুল টা এসিডে ভিজিয়ে রাখলে তখন তার যে গায়ে যে লেখাটা উঠে যায় জি এম আর জি পেথিডিন তাদের ই।
পেথিডিন 50mg কিসের জন্য ব্যবহৃত হয়?
এটা মোটামুটি সেইম। তারপরেও কি ওখানে অ্যাম্পুল এসিড দ্বারা গায়ে উঠে বিশেষ কায়দায় জিপিতে দিনের অ্যাম্পুল রূপান্তর করে এবং জি বিভিন্ন ছাপাখানা থেকে প্রতিদিনের মোড়ক, ফয়েল পেপার এবং ব্যবহার নির্দেশিকা প্রিন্ট করে এবং জি প্রতিদিন মূলত বিভিন্ন অপারেশনে চেতনানাশক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। কিন্তু আর জি ডায়েরিতে মেলে ঘুমের ইনজেকশন।
এতে দেখা গেছে যে ঘুমের ইনজেকশনটা দিলে তার ব্যথা তো দূর হচ্ছে না। এক্ষেত্রে অনেক দুর্ঘটনাও ঘটে এবং আমরা দেখতে পেয়েছি যে তারা জি। গভীর ইনজেকশনটা যে অ্যাম্পুল সেটা তারা মিটফোর্ড থেকে আট টাকা করে নিয়ে আসে। আর বাকি কিছু খরচ আছে সেটা দিয়ে মূলত তারা 10 টাকা করেছে। এতে প্রতি পিসে তারা 10 টাকা করে বিক্রি করছে এবং ঢাকা শহরের বিভিন্ন দামি হাসপাতাল।
পেথিডিন কি শিশুকে দেওয়া যাবে?
যেমন বারিধারা জেনারেল হাসপাতাল যেখান থেকে আমরা এই ইনজেকশন বা ওষুধগুলি উদ্ধার করেছি। এরকম অনেক গলিতে আছে যারা নারকোটিকস এর অনুমোদন ছাড়াই তারা এগুলি বিক্রি করছে, যার কারণে যে আমরা তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছি। তাদেরকে আমরা জিজ্ঞাসাবাদে যেটা পেয়েছি যে এরকম অনেক ফার্মেসিতে তারা যেখানে নারকোটিকস এর কোনো অনুমোদন নাই,
সেগুলি থেকে জি ডায়াবেটিস ইনজেকশন দিচ্ছে। আবার এই ইনজেকশন না নিয়ে। এবং তারা অনেকে আবার এটাকে নিয়ে আবার জি প্যাথেডিন ইনজেকশন রূপান্তর করছে এবং এগুলি আবার দেদারসে তারা বিভিন্ন হাসপাতাল বা ফার্মেসিগুলোতে ক্রয় করে রোগীদের অপারেশনে ব্যবহার করছে। এবং আমরা এই ঐ গোডাউন যেটা যে তিনজন যারা এখানে বসে এগুলো তৈরি করেন। তাদের কথামত আমরা বারে তারা জেনারেল হাসপাতাল থেকে।
পেথিডিন ইনজেকশন কি কাজে লাগে?
কিন্তু আমরা এগুলো উদ্ধার করেছি। ওই হাসপাতালের ওই যে ফার্মেসির ইনচার্জ, সে স্বীকারও করেছে। হ্যাঁ, এটা আমরা জেনে শুনে আমরা ক্রয় করি। এবং সেটা দেখা যাচ্ছে যে অনেক রোগীর গায়েও তারা ইউজ করেছে। যার ফলে দেখা যাচ্ছে অপারেশনের সময় অনেক জটিলতা তৈরি হয়। মারা যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটে। এই চক্রের আমরা তিনজনকে এনেছি। বাকিদের নাম আমরা।
তাদের শীঘ্রই আমরা গ্রেপ্তার করব এবং ওইখান থেকে ফার্মেসিতে গিয়ে আমরা 20 পিস জি প্যাথেডিন ইনজেকশন আমরা উদ্ধার করেছি, যেটা তারা ঘুমের ইনজেকশন দিয়ে বানিয়েছে। এবং আমরা জি প্যাটার্নের অ্যাম্পুল মানে আমরা 20 পিস আমরা উদ্ধার করেছি। জি এম এর 10 পিস অ্যাম্পুল আছে যে প্রতিদিনের শ্বাস প্রশ্বাসের অর্থাৎ এই যে খালি বক্স, এক হাজার পার্টস এগুলো দিয়েও তারা আরও তৈরি করত এবং তাদের কাছ থেকে আমরা ফয়েল পেপার, তারপরে।
পেথিডিনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
যে পাশটা করে সে একটা প্যাকেট বানায় হস্তচালিত চাপ মেশিন, সেটাও আমরা উদ্ধার করেছি। অ্যাসিড পাস সেখান থেকে যে এসিডে ভিজিয়ে রাখে সেটা আমরা উদ্ধার করেছি এবং যে প্রতিটি প্লাস্টিকের ট্রে আমরা তারা একদিকে অবৈধ মুনাফা এবং অন্যদিকে একটা মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে তারা।
এই যে অসাধু ব্যবসায়ী চক্ররা, তারা বিভিন্ন জায়গা থেকে ডায়াবেটিস, ঘুমের ইঞ্জেকশন এনে তারা জি প্যাড বানিয়ে সারা ঢাকা শহরের নামিদামি হাসপাতালের নিচে যে ফার্মেসি গুলি আছে সেগুলিতে অবাধে বিক্রি করছে এবং প্রতি পিসে যেখানে তৈরি বানাতে তাদের টোটাল দশ টাকা খরচ হয়, তারা সেখানে ছয় টাকা করে প্রতি পিস বিক্রি করছে।
পেথিডিনের ডোজ এবং রুট
এই যে ওষুধগুলি যারা বিক্রি করছেন তাদেরও খোঁজ খবর নিচ্ছি। আর যারা কিনে এনে গোডাউনে বসে এগুলি বানাচ্ছেন, তাদের চক্রের সাথে আরও যারা আছে তাদের খোঁজ খবর নিয়ে আমরা শীঘ্রই গ্রেপ্তার করে বাকি টাকা।





