Imidacloprid insecticide

একটি নতুন নিয়ে আজকে বন্ধুরা আলোচনা করব বাজারে সবথেকে কম দামে কোন কীটনাশকটি আপনি পাবেন। সেটি নিয়ে এবং কীটনাশক গাছে কিভাবে কাজ করবে। সেটিও বিস্তারিতভাবে আলোচনা করব কিন্তু বন্ধুরা সম্পূর্ণ শুরু করার আগে একটি রিকোয়েস্ট সবাইকে করবো। গাছের যেকোনো পর্যায়ে যাওয়ার আগে গাছটিতে কীটনাশক প্রয়োগ করার আগে অবশ্যই আপনাকে মাথায় রাখতে হবে। কীটনাশক মানেই কিন্তু বীজ জাতীয় জিনিস। অর্থাৎ আমরা যেকোনো কীটনাশক কোন রকম কোন কাঁচা সবজিতে প্রয়োগ করবো না ।অর্থাৎ যে সবজিটি আমরা


ডাইরেক্ট গ্রহণ করবো যেমন ধরুন লাল শাক নোটে শাক বা লঙ্কা গাছ বা যেকোন জাতীয় যেটাতে আমরা ডাইরেক্ট গ্রহণ করছি। সেটিতে প্রয়োগ করবো না। অথবা লঙ্কা গাছের ক্ষেত্রে যদি বলি লঙ্কাগুলো অবশ্যই তুলে নেব। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায় লঙ্কা গাছেতে অনেক রকম সমস্যা দেখা যায়। কিন্তু লঙ্কাটি আমরা তুলে নেওয়ার পর সেটিতে কীটনাশক প্রয়োগ করবো । কেন প্রয়োগ করব চলুন বিস্তারিতভাবে আলোচনা করবো খুবই ইনফরমেশন এবং ইনফরমেটিভ হতে চলেছে। শুরু করা যাক আজকে এই আমি যে কিডনাশকের কথাটি বলবো সেটি হলো ম্যাজিক 70 ডব্লিউএস এই ম্যাজিক 70।

এডি ইমিডা ক্লোরোপিট গ্রুপের অন্তর্গত

ডব্লিউএস এটি যদি আপনি এক পিস নেন। দেখাই এরকম এক পিস যদি আপনি নেন তাহলে এক পিসের দাম নেবে আপনার কাছে ৳70 টাকা কিন্তু আপনি যদি এই টোটাল প্যাকেটটি নেন এই প্যাকেটের মধ্যে আপনার থাকবে 10 পিস 10 পিসের দাম পড়বে 50 টাকা অর্থাৎ पर প্যাকেট আপনার পড়ে যাবে পাঁচ টাকা পিস এবারে আসছি এই ম্যাজিক 70 ডব্লিউএসটি কিভাবে কাজ করবে এখানে আপনারা দেখতে পাচ্ছেন এডি ইমিডা ক্লোরোপিট গ্রুপের অন্তর্গত এখানে লেখাই রয়েছে ইমিডা ক্লোরোপিড 70% তো এবারে বন্ধুরা আগে জানতে হবে । ইমিডা ক্লোরোপিড কি আমরা অনেকেই জানি যে সাইপার ম্যাথিন গ্রুপের বা সাইপার ম্যাথিন টাইপের


সম্পর্কে আমরা অনেকেই জানি। কিন্তু ইমিডা ক্লোরোপিট কিভাবে কাজ করবে গাছের ক্ষেত্রে সেটি সম্পূর্ণ আলোচনা করবো । প্রথমে জানতে হবে ইমিডা ক্লোরোপিড কিভাবে গাছের ক্ষেত্রে কাজ করবে ইমিডা ক্লোরোপিড হচ্ছে নিक বা তারা চুসে বা তারা খেলে শরীরে বিষক্রিয়া শুরু হয় স্নায়ুর স্বাভাবিক সংকেত পাঠানোর ক্ষমতাকে ব্যাহত করে। এবং স্নায়ুতন্ত্রে যেভাবে কাজ করা উচিত। সেভাবে কাজ করা বন্ধ করে দেয় ফলে কীটপতঙ্গের প্রতিটি অঙ্গের কাজ করার ক্ষমতা লোভ পায়। এবং অসার হয়ে যায় তো বন্ধুরা এবারে মাদের জানতে হবে।

ইমিডা ক্লোরোপিড কিভাবে গাছের ক্ষেত্রে কাজ

এই ইমিডাক্লোরোপিড কিভাবে গাছের ক্ষেত্রে কাজ করে ইমিডাক্লোরোপিড গাছের পাতা এবং কান্ডে খুবই দ্রুত পরিমাণে ভেতরে প্রবেশ করে যায়। এটি যখন স্প্রে করা হয় স্প্রে করার সাথে সাথে গাছের পাতার মাধ্যমে এবং কান্ডের মধ্যে দিয়ে গাছের ভিতরে প্রবেশ করে সুতরাং গাছের পাতায় যে সমস্ত পোকা মাকড় থাকে বা গাছের কান্ডে যে সমস্ত পোকা থাকে সেগুলিকে খুবই তাড়াতাড়ি মেরে ফেলে। পেয়ারা গাছের ক্ষেত্রে গাছের পাতার উল্টো দিকে অথবা লেবু গাছের ক্ষেত্রে গাছের পাতার উল্টো দিকে ছোট ছোট পোকা হয় যে।

পোকাগুলিকে এটি খুবই দ্রুত পরিমাণে ইমিডাক্লোর কাজ করে তাদেরকে মেরে ফেলার
জন্য এবারে বন্ধুরা আমরা জানবো কোন কোন পোকা দমন করে এই ইমিডাক্লোরোপিড অসংখ্য পোকা দমন করতে সক্ষম এই ইমিডাক্লোরোপিড তবুও এর মধ্যে কিছু কিছু পোকা আছে যেগুলো আমাদের নাম অনেকেই পরিচিত তার মধ্যে আমি বলছি যেমন সাদা মাছি সবুজ মাছি কালো মাছি এবং তার পাশাপাশি যে সমস্ত শ্যামা পোকা বা কুমড়ো জাতীয় গাছে।

পোকা দমন করতে সক্ষম এই ইমিডাক্লোরোপিড

যে সমস্ত পোকাগুলো লাগে সেক্ষেত্রে যেমন জাপ পোকা এছাড়াও মিলিবাগ রাইটস এবং আরো নানান যেমন ধরেন আমরা যে সমস্ত পোকাগুলো সম্পর্কে জানি সেটি হলো এই গাছ লেবু গাছের ক্ষেত্রে ম্যাপ পোকা ম্যাপ পোকাটা বিশেষ করে আমরা জানি এই কারণে লেবু
গাছের প্রত্যেকেই এই ম্যাপ পোকাটা দেখতে অথবা যারা টমেটো গাছ টমেটো মানে কি গাছ বসান টমেটো গাছ কি হয় অনেক বড় যখন হয়ে যায় যখন কাঁচা টমেটো হয়ে যাওয়ার পর ঠিক পাকা টমেটো যখন ফসল ধরা শুরু হয় পাকা টমেটো ঠিক শেষের দিকে অতিরিক্ত কিন্তু ম্যাপ পোকার আক্রমণ দেখতে পাওয়া যায় ।

সেক্ষেত্রে এই ইমিডাক্ট খুবই ভালোভাবে কাজ [মিউজিক] করে আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ জিনিস বন্ধুরা যখনই আমরা কীটনাশক গাছে স্প্রে করব তখনই আমরা মুখে মাস্ক ব্যবহার করব এবং গাছে কীটনাশক স্প্রে করার পর অবশ্যই আমরা ভালোভাবে হাতটি ধুয়ে নেব যাতে কোনরকম ভাবেই আমাদের হাতে বা আমাদের নিজেদের।


শরীরে কোনরকম ভাবে কীটনাশকের এই যে বিষটি প্রয়োগ হয় এই যে ম্যাজিক 70 10 থেকে 15 g 10 থেকে 15 g দেওয়া যাবে অর্থাৎ যদি হিসেব করে দেখা যায় তাহলে মোটামুটি আমরা আনুমানিক ধরতে পারি দু থেকে আড়াই লিটার জলে 1 g अर्थात येथे जे একটি पाऊच पाऊच আছে এই একটি पाऊचটি 1 g এক গ্রামের দাম ৳5 তো সেটি আমরা 1 l থেকে আমরা দু থেকে 25 l পর্যন্ত দেওয়া যেতে পারে আমি এটি দীর্ঘ এক বছর ইউজ করছি এবং এর রেজাল্ট খুবই ভালো আরেকটি বন্ধুরা যেটা বলছিলাম ইমিডা ক্লোরোপিট সব ক্ষেত্রে কাজ করবে না কোন কোন ক্ষেত্রে কাজ করবে না।

ব্যবহারের প্রয়োগ মাত্রা

যেমন ধরুন আপনার গাছের কোনরকম কোন ফলন ধরেছে ফলনে অর্থাৎ আমি যদি আম গাছে ধরি বা পেয়ারা গাছে ধরি পেয়ারা গাছে যদি পেয়ারা ফল থাকা অবস্থায় সেই পেয়ারা গাছের ফলনে যদি পোকা ধরে সেক্ষেত্রে ইমিডা ক্লোরোপিড কাজ করবে না কেন সেটি আপনাকে সাইফার ম্যাথিন গ্রুপের দিতে হবে কীটনাশক এই ইমিডাক্লোরোপিট শুধুমাত্র গাছে স্প্রের মাধ্যমেই দেওয়া যায় এমনটা নয় এই ইমিডাক্লোরোপিড আপনি গাছের শিকরে অর্থাৎ গাছের মাটির সাথে গুলে যদি আপনি দেন সেক্ষেত্রে কি হবে।

শিকরের মাধ্যমে যদি সেটি গ্রহণ করে গাছটি সম্পূর্ণ বিষাক্ত হয়ে যাবে গাছের কোন রকম পোকা সহজে বসতে
পারবে না কিন্তু সেটা সারাজীবনের জন্য বা লাইফটাইমের জন্য সম্ভব নয় কিছুটা সময় আসবে যে সময় অবশ্যই এর বিষাক্তটা কেটে যাবে তারপরে আপনাকে ফের আবার পুনরায় দিতে হবে তো বন্ধুরা আজকের এই আমরা এই ম্যাজিক 70 ডব্লিউএস এটি সম্বন্ধে জানলাম এবং এর মধ্যে যে ইমিডিক্িট 70% রয়েছে।

ইমিডাক্লোপ্রিড (Imidacloprid) একটি নিওনিকোটিনয়েড (Neonicotinoid) শ্রেণির কীটনাশক, যা বিশ্বব্যাপী কৃষিক্ষেতে ব্যবহৃত হয় ক্ষতিকর পোকামাকড় নিয়ন্ত্রণের জন্য। এটি বিশেষভাবে চুষে খাওয়া পোকা যেমন:

  • আফিড (Aphids)
  • হোয়াইটফ্লাই (Whiteflies)
  • থ্রিপস (Thrips)
  • পাতার বিটল (Leaf beetles)

বৈশিষ্ট্যসমূহ:

ইত্যাদি দমনে কার্যকর।

  1. কার্যপ্রণালী:
    ইমিডাক্লোপ্রিড পোকামাকড়ের স্নায়ুতন্ত্রে নিকোটিনিক অ্যাসিটাইলকোলিন রিসেপ্টরের (nAChR) সাথে বন্ধন তৈরি করে, যা স্নায়ু সংকেত বন্ধ করে দেয় এবং পোকাটি অবশ হয়ে মারা যায়।
  2. প্রয়োগ পদ্ধতি:
    • স্প্রে করে পাতায় ব্যবহার
    • মাটিতে প্রয়োগ করে শিকড়ের মাধ্যমে শোষণ
    • বীজে প্রলেপ আকারে প্রয়োগ
  3. ফসল:
    ধান, গম, তুলা, ভুট্টা, সবজি, ফল, চা, তামাক ইত্যাদি ফসলে ব্যবহার করা হয়।
  4. গুণাবলি:
    • দ্রুত কাজ করে
    • দীর্ঘস্থায়ী প্রতিরক্ষা দেয়
    • তুলনামূলকভাবে কম পরিমাণে ব্যবহারেই কার্যকর

সতর্কতা:

মানব স্বাস্থ্যের জন্য:
উচ্চ মাত্রায় গ্রহণ করলে বিষক্রিয়ার ঝুঁকি থাকে। প্রয়োগের সময় গ্লাভস, মাস্ক ইত্যাদি সুরক্ষা সামগ্রী ব্যবহার করা উচিত।

পরিবেশগত প্রভাব:

মৌমাছি ও অন্যান্য উপকারী পোকামাকড়ের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তাই ফুল ফোটার সময় প্রয়োগ না করাই ভালো।

Leave a Comment