কেমন আছো সবাই? সবাইকে জানাই স্বাগতম রুহুল মেডিসিন ইউটিউব চ্যানেলে। আমি আপনাদের সামনে আজকে একটা । এস এম এস সিরাপ এর কাজ কি? কেন ডাক্তাররা প্রেসক্রিপশন করে থাকে? কখন কখন প্রেসক্রিপশন করে থাকে, দিনে কবার খাবেন, কিভাবে খাবেন এই সমস্ত কিছুই জানতে পারবেন । চলুন দেখা যাক। এস এম এস। এটা আপনার ব্র্যান্ড নেম এর কম্পোজিশন রয়েছে। সালবিউটামল সালফেট।
মরা হাইড্রোক্লোরাইড এন এ, পেনিসিলিন এক্স ফ্যাক্টর এন্ড এটা হান্ড্রেড এমএল রয়েছে। এটা ম্যানুফেকচার করেছে। গ্রীন মার্ক ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেড কোম্পানি তৈরি করেছে। এটা প্রাইস 1000 টাকা। লেবেল এর কাজ কি? এল এস কফ সিরাপ তিনটি কম্পোজিশনের সংমিশ্রণ দিয়ে তৈরি লিভস বোটল রয়েছে অনেক এম জি আর এম এল হাইড্রোক্লোরাইড রয়েছে। টি এম জি আর গুলিয়ে ফেলেছেন। রয়েছে ফিফটি এমজি।
Ascoril syrup এর কাজ কি?
এই তিনটি কম্পোজিশনের সংমিশ্রণ দিয়ে তৈরি করলে সিরাপ, ট্রিটমেন্ট অফ কফ উইথ মিউকাস রাস করলে সিরাপ শ্লেষ্মা সহ কাশির চিকিৎসার জন্যই প্রেসক্রিপশন করে থাকে। যখন আপনার নাক দিয়ে সর্দি ঝরে, নাক দিয়ে জল পড়ে, অত্যন্ত হাঁচি পরে কাশি হয় এবং চুলকানি এবং আপনার জলযুক্ত চোখ সেই সব ক্ষেত্রেই ডাক্তাররা প্রেসক্রিপশন করে থাকে।
অ্যাস লেস কফ সিরাপ খাওয়ার পরে আমাদের অনুনাসিক প্যাসেজ, উইন্ড পাইপ এবং ফুসফুসের শ্লেষ্মা কফ পাতলা করে যা বের করা সহজ করে তোলে। কফ সিরাপ খাওয়ার পরে সাইড ইফেক্ট নরমালি হয় না, তবে কারও কারও ক্ষেত্রে আপনার পেশেন্টের বেশি বেশি ঘুম আসতে পারে। বমি বমি ভাব দেখা দিতে পারে। বমি দেখা দিতে পারে। ডায়রিয়া দেখা দিতে পারে। আপনার পেট খারাপ হতে পারে। পেটে ব্যথা দেখা দিতে পারে।
মাথা ব্যথা দেখা দিতে পারে। সবই নর্মাল সাইড ইফেক্ট দেখা যেতে পারে। স্কুলে কফ সিরাপ খাওয়ার পরে কোনো ধরনের সাইড ইফেক্ট যদি আপনার দীর্ঘস্থায়ী মনে হয়, তবে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ডাক্তারের কাছে যাওয়া উচিত এবং ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত। কফ সিরাপ খাওয়ার আগে কিছু সতর্কতা আছে যেগুলো জানা খুব ইম্পর্টেন্ট।
অ্যাসকরিল এলএস সিরাপ কিসের জন্য ব্যবহার করা হয়?
যেমন এটি অ্যালার্জি। যদি আপনার কোন কম্পোজিশনের মেডিসিন এ অ্যালার্জি রিয়েকশন থাকে তবে তা অবশ্যই ডাক্তারকে জানানো উচিত। আপনি যদি প্রেগনেন্ট হন বা স্তন্যদানকারী মহন্ত, আপনার অবশ্যই ডাক্তারকে জানানো উচিত। এটা বাচ্চাদের থেকে দূরে রাখতে হবে। আপনার যদি কোন মেডিসিনে অ্যালার্জি রিয়াকশন থাকে তবে আগে অবশ্যই ডাক্তারকে জানান যে আপনি যদি কোনও গুরুতর রোগের ভুক্তভোগী থাকেন তবে আপনার অবশ্যই ডাক্তারকে জানানো উচিত।
এটা খাওয়ার পরে ড্রাইভিং এড়িয়ে চলুন। এটা খাওয়ার সময় অ্যালকোহল পান করা উচিত নয়। এসবই নরমাল। সতর্কতা মেনে খাওয়া দরকার। ডোজ কি? দিনে কয়বার খাবেন? সাধারণত পেশেন্টের কন্ডিশন, তার রোগ, তার শরীরের ওজন এবং বয়সের উপর নির্ভর করে করা হয়। তবে অ্যাডাল্ট ডক্টর নরমালি ফাইভ এমএল করে দিনে তিন বার দিয়ে থাকে। সকাল দুপুর, রাত্রি খাবার খাওয়ার তিরিশ মিনিট পরে এবং ট্রেন এমএল করে দিনে দুবার থেকে তিন বার দিয়ে থাকে।
Ascoril কি ভেজা নাকি শুকনো কাশি?
খাবার খাওয়ার ত্রিশ মিনিট পরে এবং খাওয়ার পরে একটা পরামর্শ দেওয়া হয় যে খাওয়ার পরে তিরিশ মিনিট মত জল কিংবা কোন খাবার খাবে না। সতর্কতা মেনে খাওয়া দরকার। সাধারণত পেশেন্টের কন্ডিশন এর উপর নির্ভর করে করা হয়। সেটা নিজের বুদ্ধিতে কখনই খাওয়া উচিত নয়। অ্যাসপিরিন খাবে না। সতর্কতা মেনে খাওয়া দরকার। সাধারণত পেশেন্টের কন্ডিশন এর উপর নির্ভর করে করা হয়। সেটা নিজের বুদ্ধিতে কখনই খাওয়া উচিত নয়। অ্যাসপিরিন





