Empavic 10 mg

আজকের যে ডায়াবেটিসের রুট কজ ইনসুলিন রেজিস্টেন্স আমরা বলেছি স্পেশালি টাইপ টু ডায়াবেটিস এবং এর থেকে কিভাবে সহজে ধরেন যে আপনার প্রায় সাত দিনের মধ্যে আপনি ডায়াবেটিসটা কিভাবে কন্ট্রোলে নিয়ে আসতে পারেন তো এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ হতে যাচ্ছে তো সম্পূর্ণ দেখবেন ইনশাল্লাহ উপকৃত হবেন কোল্ড শাওয়ার আমরা কোল্ড শাওয়ার অনেক বেনিফিট আছে যদি আমরা গোসলের শেষ 30 থেকে 60 সেকেন্ড ঠান্ডা পানিতে গোসল করি তাহলে একটা শরীরে একটা ঝাঁকুনি বা কাঁপুনি আসে এবং শরীর থেকে কোল্ড শক প্রোটিন রিলিজ হয়।


আশা করি যে যেখানেই আছেন ভালো আছেন তো আজকে ডায়াবেটিস নিয়ে কিছু কথা বলব কারণ সারা বিশ্বের স্ট্যাটিস্টিক অনুযায়ী ইন্টারন্যাশনাল ডায়াবেটিক ফেডারেশনের স্ট্যাটিস্টিক অনুযায়ী প্রায় সারা পৃথিবীতে 537 মিলিয়ন পিপল ডায়াবেটিসে আক্রান্ত অর্থাৎ প্রতি 10 জন এডাল্ট এর মধ্যে একজনই ডায়াবেটিসে আক্রান্ত তো বুঝতেই পারছেন কত অ্যালার্মিং সিচুয়েশন এবং এই স্ট্যাটিস্টিকটা দিনকে দিন বাড়ছে এটা যেটা প্রেডিক্ট করা হয়েছে 2030 সালে সেটা 643 মিলিয়ন যাবে এবং 2045 সালে এটা 783 মিলিয়নে যাবে অর্থাৎ প্রতি মানে প্রত্যেকটা মানুষের ডায়াবেটিসে আক্রান্ত।


মানে হয়ে যাওয়ার মত অবস্থা হবে 2045 সালে যদি এই ট্রেন ট্রেনটা চলমান থাকে আর ডায়াবেটিসের যেটা 2021 সালে একটা স্টাডি সেটা হচ্ছে প্রতি মানে যে মৃত্যুটা হয়েছে ডায়াবেটিসের কারণে প্রায় 67 মিলিয়ন ডেথ হয়েছে 2021 সালে অর্থাৎ প্রতি পাঁচ সেকেন্ডে একজন রোগী ডায়াবেটিসের কারণে মারা গিয়েছে এবং সারা পৃথিবীতে যে ডায়াবেটিসের চিকিৎসার জন্য যে খরচটা হয়েছে বিভিন্ন দেশের সরকার বা চিকিৎসা বা রোগীরা যেটা বহন করে সেটার কস্ট প্রায় 966 বিলিয়ন ডলার তো যেটা কঠিন একটা অবস্থা মানে ভেরি সিরিয়াস ইস্যু এটা একটা এবং এটা আসলে ডেফিনেটলি আমরা রুট কস্টটা
ফাইন্ড আউট না করার কারণে আমরা ট্রিটমেন্ট কিন্তু করছি আমরা বিভিন্ন চিকিৎসা চিকিৎসা করতেছি আমরা ভালো ভালো ওষুধ আসতেছে কিন্তু ট্রেনটা কমতেছে না তাহলে এখান থেকে জাস্ট একটু চিন্তা করা উচিত যে আসলে আমাদের ট্রিটমেন্টে কোথাও আমরা ভুল করছি অথবা আমাদের লাইফস্টাইলে কোথাও আমাদের চেঞ্জ করা উচিত যে কারণে এত কিছু করার পর আমাদের মানে এই ডেথ রেট বা আমাদের ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি এত বেড়ে যাচ্ছে তাহলে আসুন আমরা জানবো যে আমরা আজকে যে ডায়াবেটিসের রুট কজ ইনসুলিন রেজিস্টেন্স আমরা বলেছি স্পেশালি টাইপ টু ডায়াবেটিস এবং এর থেকে কিভাবে সহজে ধরেন যে আপনার
প্রায় সাত দিনের মধ্যে আপনি ডায়াবেটিসটা কিভাবে কন্ট্রোলে নিয়ে আসতে পারেন প্রথমে ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য যেটা থাকবে সেটা হচ্ছে প্রথমে নির্ণয় করে নেওয়া আপনার টাইপ ওয়ান না টাইপ টু ডায়াবেটিস ইউজালি এডাল্ট এর ক্ষেত্রে টাইপ টু ডায়াবেটিসই বেশি হচ্ছে এবং এটা 95% এর মতো তো এক্ষেত্রে আমরা যে টেস্টটা করি হোমা আইআর এই টেস্টটি করি এতে ইনসুলিন রেজিস্টেন্স বেশি পাওয়া যায় এছাড়া আবার আপনার অন্যান্য ফাংশন গুলো আপনার লিভার ফাংশন কিডনি ফাংশন বা আপনার হোমোসিস্টিন লেভেল ঠিক আছে তারপর আপনার ফাস্টিং লিপিড প্রোফাইল আপনার ইজিএফআর এই জাতীয় কিছু
টেস্ট যেটা আপনার চিকিৎসক মনে করবেন বা ইনফ্লামেশনের জন্য সিআরপি ইন্টারলিউকিন সিক্স এই টেস্ট গুলো আপনার করে আপনার টোটাল একটা প্যানেল আপনাকে দেখতে হয় ডায়াবেটিসের এবং অনেকের ক্ষেত্রে প্রয়োজনে সি পেপটাই লেভেলও করতে হয় যারা ইনসুলিন বর্তমানে নিচ্ছেন তো এগুলো করার পরে আমরা টাইপ ওয়ান টাইপ টু আলাদা করি এবং টাইপ টু এর ক্ষেত্রে যেটা আমরা খুব অল্প সময়ের মধ্যে এটা কন্ট্রোলে নিয়ে আসতে পারি যদি আমরা খুব সুন্দরভাবে ডায়েট ম্যানেজমেন্টটা করতে পারি সেটা হচ্ছে প্রথমে আমাদের ফোকাস করতে হবে নিউট্রিশন তো নিউট্রিশনের মধ্যে আমাদের প্রথমেই


গরুর চর্বি আপনি খেতে পারেন আপনি অলিভ অয়েল খেতে পারেন এভোগেডো অয়েল খেতে পারেন আপনি ফিশ অয়েল খেতে পারেন ঠিক আছে ক্ডলিভার অয়েল খেতে পারেন তো এগুলো আপনার খুব ভালো একটা তেল এবং যেটা এভয়েড করতে হবে সেটা হচ্ছে ভেজিটেবল অয়েল ক্যানোলা স্যাফোলা সানফ্লাওয়ার অয়েল সয়াবিন অয়েল তারপরে হচ্ছে আমার পিনাট পিনাট অয়েল যেগুলো ভেজিটেবল সোর্স থেকে আসে এবং যেটা ট্রান্স ফ্যাটে কনভার্ট হয়ে যায় হাইড্রোজেনেটেড হয়ে যায় সেই ফ্যাটগুলো এভয়েড করতে হবে এবং যেটা ওমেগা সিক্স আপনাকে বাড়িয়ে দিবে ওমেগা সিক্স যত বাড়বে তত ইনফ্লামেশন হবে এবং আমরা জানি।


ডায়াবেটিস থেকে ভালো হতে গেলে আপনাকে ইনসুলিনেরও যেমন কমাতে হবে আপনি ইনফ্লামেশন থেকেও বেরিয়ে আসতে হবে এই দুইটা সমন্বিত রিপোর্টের মাধ্যমে বা সমন্বিত কন্ট্রোল করার মাধ্যমে আপনি ডায়াবেটিস থেকে নিজেকে বের করে আনতে পারবেন তৃতীয় যে বিষয়টা করতে হবে সেটা হচ্ছে আপনাকে গুড ফাইবার যুক্ত করতে হবে যেটা আমরা ভেজিটেবল থেকে পাই ভেজিটেবলের মধ্যে যেই ভেজিটেবল গুলো লো গ্লাইসেমিক ইন্ডেক্স সেগুলো খেতে হবে এবং কালারফুল ভেজিটেবল খেতে হবে তো কালারফুল ভেজিটেবল যত আমরা গ্রহণ করব এবং সেটা সালাদ ড্রেসিং করতে পারে বিভিন্ন হেলদি অয়েল দিয়ে সেটা।


কিন্তু আমার গুড ফাইবার প্রোভাইড করবে এন্টিঅক্সিডেন্ট প্রোভাইড করবে নিউট্রিশন প্রোভাইড করবে মিনারেলস প্রোভাইড করবে যেটা আমার সেলুলার অ্যাক্টিভিটি গুলোকে বাড়াবে এবং ইনসুলিন রেজিস্টেন্স কমাতে সাহায্য করবে এরপরে আমাদের যেটা করতে হবে সেটা হচ্ছে ইন্টারমিডিয়েট ফাস্টিং অর্থাৎ দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার প্র্যাকটিস সেটা কিন্তু আপনি যখন এই ডায়েটে চলে আসবেন তখন কিন্তু আপনি এই অভ্যাসটা আপনার ডেভেলপ হয়ে যাবে এবং খাবার উইন্ডোটা আপনি কমাতে হবে অর্থাৎ দিনের 12 থেকে 16 ঘন্টা না খেয়ে থাকার প্র্যাকটিস করতে হবে এবং খাবেন হচ্ছে চার থেকে ছয় ঘন্টার মধ্যে
খাবার শেষ করতে হবে এবং ক্যালোরি যুক্ত খাবার আপনি চার থেকে ছয় ঘন্টার মধ্যে খাবেন এবং বাকি সময়টা আপনার পানি খাবেন।


এক্সারসাইজ আপনি পুশআপ দিতে পারেন আপনার কোন হেভি ওয়েট লিফটিং করতে পারেন জিমে যেতে পারেন অথবা আপনার বাসায় বসে আপনি করতে পারেন যেটাতে আপনার মাসেল গুলো বিল্ড আপ হচ্ছে মানে আপনার হাত পায়ের মাসেল চেস্টের মাসেল পায়ের মাসেল গুলো বিল্ড আপ করার মাধ্যমে এই সেই মাসেলগুলো স্পঞ্জের মত কাজ করবে অর্থাৎ আপনার গ্লুকোজ গুলোকে ব্লাড থেকে এবজর্পশন করে নিবে তো সুতরাং মাসেল আপনার বন্ধু আপনাকে তাকে গ্রোথ করতে হবে তার গ্রোথটা যেন এনসিওর হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে এরপরে যেটা বলবো সেটা হচ্ছে অ্যাপেল সিডার ভিনেগার অ্যাপেল সিডার ভিনেগার খুবই গুরুত্বপূর্ণ এটা।


নিয়ে অনেকগুলো করেছি অ্যাপেল সিসিডার ভিনেগার গ্লুকোজ মেটাবলিজম করায় সাহায্য করে এবং একটা গবেষণা দেখা গেছে যে অ্যাপেল সিডার ভিনেগার যদি খাবার আগে আমরা গ্রহণ করি তাহলে 30% পর্যন্ত গ্লুকোজ শরীরে কম ইনটেক হয় এবং আমরা জানি যে ডায়াবেটিস হচ্ছে এই গ্লুকোজের মেটাবলিজমের হ্যাম্পেয়ার হওয়ার কারণে সুতরাং অ্যাপেল সিডার ভিনেগার খেতে হবে কিন্তু যাদের গ্যাস্ট্রাইটিস আছে বা গ্যাস্ট্রিক আলসার আছে তারা খাবারের এর মধ্যে খাবেন অথবা তাতেও বার্নিং হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে সেটা হিল করার পরে এপিসিড ভিনিগার গ্রহণ করতে পারেন তো।


এরপরে যে মানে যেই বিষয়টা আমাদের খেয়াল করতে হবে সেটা হচ্ছে আমাদের ভালো ঘুম এবং ব্রিদিং এক্সারসাইজ তো ভালো ঘুম যখন হবে প্রপার টাইমে যখন রাত 10:00 টা 11:00 টার দিকে আমরা ঘুমাবো এবং সাউন্ড স্লিপ হবে তখন আমাদের প্যারাসিমিক অ্যাক্টিভিটি বাড়বে কর্টিসল লেভেল কমে যাবে কর্টিসল লেভেল কমে গেলে আমার ইনসুলিন লেভেল কমে যাবে এবং আমার সুগারটা খুব ব্যালেন্স থাকবে ঠিক আছে তো এই বিষয়টা খেয়াল রাখতে হবে এবং ব্রিদিং এক্সারসাইজ দিনে দুই তিন তিনবার 20 বার শ্বাসের ব্যায়াম হুম 20 বার শ্বাস নেওয়া শ্বাস ছাড়া জাস্ট এই ব্রিদিং এক্সারসারটা করতে হবে এবং ইভেন।


খাবারের আগেও ব্রিদিং এক্সারসাইজটা করতে হবে তো এইটা আপনার সুগার মেটাবলিজমে খুব হেল্প করবে এরপরে হচ্ছে আমরা যেটা বলি যে অনেক সময় আপনার ব্ল্যাক কফি বা গ্রিন টি দুইটি উপকার দুইটাই আপনার সুগার মেটাবলিজমে হেল্প করে ব্ল্যাক কফির মধ্যে থাকে হচ্ছে ক্লোরোজেনিক এবং ক্যাফিক এসিড তো এইটা যেটা কি করে অটোফেজিকে এনহ্যান্স করে বা এমপি কাইনেস পাথওয়েকে স্টিমুলেট করে যে কারণে আপনার গ্রুপ মেটাবলিজম হয়ে যায় এবং আপনার এনার্জি বিল্ড আপ করে গ্রোথ হরমোন রিলিজ হয় অন্যান্য অনেক বেনিফিট হয় তো সকালবেলা অনেক সময় আমরা ব্রেকফাস্টের পরিবর্তে বুলেট কফি বা এই।


ব্ল্যাক কফি গুলো খেলে আপনার সুগার মেটাবলিজম খুব ভালো থাকে এবং এনার্জি খুব ভালো থাকে এছাড়া গ্রিন টি গ্রিন টির মধ্যে ক্যাটেজিন আর এন্টিঅক্সিডেন্ট আছে এই গ্রিন টি টাও আপনার ফ্যাট মেটাবলিজমে খুব সাহায্য করে এবং সুগার মেটাবলিজমে সাহায্য করে এরপরে একটি সুন্দর টিপস সেটা হচ্ছে কোল্ড শাওয়ার আমরা কোল্ড শাওয়ার অনেক বেনিফিট আছে যদি আমরা গোসলের শেষ 30 থেকে 60 সেকেন্ড ঠান্ডা পানিতে গোসল করি তাহলে একটা শরীরে একটা ঝাঁকুনি বা কাঁপুনি আসে হ্যাঁ এবং শরীর থেকে কোল্ড শক প্রোটিন রিলিজ হয় এই কোল্ড শক প্রোটিনটা আমার ড্যামেজ প্রোটিন গুলোকে ডেস্ট্রয় করে দেয়।


এবং কোষগুলোকে বিল্ড আপ করতে সাহায্য করে এবং এই এই কোল্ড শাওয়ারের মাধ্যমে আপনার যে শিভারিং হচ্ছে এই শিভারিং এর কারণে মাসেল গুলো কিন্তু একটা এক্সারসাইজ হয় হ্যাঁ প্যাসিভলি এক্সারসাইজ হয় এবং গ্লুকোজ গুলোকে সে জাস্ট মানে ব্লাড থেকে গ্লুকোজ গুলোকে সে শুষে নেয় তো এভাবে আপনার কোল্ড শাওয়ার বেনিফিট করে ।

ডায়াবেটিস রোগী এরপরে আরেকটা যে বেনিফিট মানে টিপস বলবো সেটা হচ্ছে এমসিটি অয়েল এমসিটি অয়েল হচ্ছে মিডিয়াম চেইন ট্রাইগ্লিসারাইট যেটা কোকোনাট অয়েল থেকে তৈরি হয় এবং এটা আমরা প্রতিটা খাবারের সাথে যেটা আমরা যেই খাবারটাই গ্রহণ করছি
যে আমরা সালাদ নিচ্ছি আমরা ভালো ফ্যাট নিচ্ছি আমরা কার্বোহাইড্রেট নিচ্ছি প্রোটিন নিচ্ছি সেখানে আমরা এই এমসিটি অয়েল হাফ টেবিল চামচ থেকে এক টেবিল চামচ ছোট মানে অল্প থেকে শুরু করা উচিত আমরা মিশিয়ে তিন বেলা বা দুই বেলা খাবো হ্যাঁ সেটাতে কি হবে সেটা কিটোন বডি তৈরি করতে সাহায্য করবে কিটোন বডি হচ্ছে যত কিটোন বডি বাড়বে তত কিন্তু আমার সুগার মেটাবলিজম আমার বডির সুগার দিয়েও চলতে পারে ব্লাড গ্লুকোজ দিয়েও চলতে পারে কিটোন বডি দিয়ে চলতে পারে তা আমাকে সাময়িক সময়ের জন্য কিটোন বডিতে যখন চলবো তখন কিন্তু সুগার আল্টিমেটলি সুগারটা আমার।


কম ইউজ হবে ডায়াবেটিস কমে আসবে এবং আমার কিটোন বডি যত বাড়বে ব্রেইন তত কিটোন বডিতে স্মুথ চলে এবং ব্রেইন ফাংশন অনেক বেশি হবে এবং আমার হাঙ্গার বা ক্ষুধার ভাবটা কমে আসবে লাস্ট যে কথাটা বলবো সেটা হচ্ছে এত কিছু করার পরেও আমাদের অনেক সময় অনেক শরীরে অনেক ঘাটতি থাকে আমাদের অনেক ভিটামিন মিনারেলস এর ঘাটতি থাকে সেটা পূরণ করা উচিত যেমন আমাদের ডায়াবেটিস রোগীদেরকে অনেক গবেষণা দেখা গেছে যে ম্যাগনেসিয়াম ঘাটতি থাকে তো ম্যাগনেসিয়াম সাপ্লিমেন্টেশন জিংক ক্রোমিয়াম ভেনাডিয়াম এ জাতীয় ট্রেস মিনারেল দরকার ভিটামিন ডি আপ টু মার্ক।


এখানে বলতে চাচ্ছি যে কিওর তো কিওর করতে গেলে আপনাকে ইনসুলিনটা কমাতে হবে ইনফ্লামেশনটা কমাতে হবে এবং।



লাইফস্টাইল ফল্টি ফিডিং এবং এই বিষয়গুলো নলেজ না থাকার কারণে আমরা দিনকে দিনে আক্রান্ত হচ্ছি তো আপনারা হতাশ না হয়ে চেষ্টা করুন এবং প্রয়োজনে আপনাদের অন্যান্য ডিজিজ থাকতে পারে বা দীর্ঘদিনের সমস্যা একজন চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে থেকে আপনারা এই বিষয়টাকে বাস্তবায়ন করুন ইনশাল্লাহ আপনার ডায়াবেটিস থেকে খুব দ্রুত বেরিয়ে আসতে পারবেন।

এমপা ১০ মি.গ্রা. (Empa 10 mg) একটি ওষুধ যা টাইপ ২ ডায়াবেটিস মেলিটাস নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়। এর সক্রিয় উপাদান হল এমপাগ্লিফ্লোজিন (Empagliflozin), যা SGLT2 ইনহিবিটার শ্রেণির ওষুধ।


🩺 ব্যবহারের উদ্দেশ্য

  • টাইপ ২ ডায়াবেটিস রোগীদের রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
  • হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে।
  • ওজন হ্রাস এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।

💊 ডোজ ও সেবন পদ্ধতি

  • প্রথমে প্রতিদিন সকালে ১০ মি.গ্রা. একটি ট্যাবলেট সেবন করা হয়, খাবারের সাথে বা ছাড়াও।
  • যদি সহ্য করা যায়, তবে ডোজ ২৫ মি.গ্রা. পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে।
  • ওষুধ সেবনের আগে শরীরে পানির ঘাটতি থাকলে তা পূরণ করা উচিত।

⚠️ সতর্কতা ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

  • গর্ভাবস্থায় বা স্তন্যদানকালে এই ওষুধ সেবনের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
  • কিডনি বা লিভারের সমস্যা থাকলে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।
  • সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে:
    • প্রস্রাবের পরিমাণ বৃদ্ধি
    • পানি শূন্যতা (ডিহাইড্রেশন)
    • মূত্রনালীর সংক্রমণ
    • চর্মে চুলকানি বা ফুসকুড়ি Medicine BanglaePharma.com.bd

💵 বাংলাদেশে দাম

এমপা ১০ মি.গ্রা. ট্যাবলেটের দাম বিভিন্ন অনলাইন ফার্মেসিতে ভিন্ন হতে পারে:MedEasy+1Medex+1

ফার্মেসিদাম (প্রতি ট্যাবলেট)স্ট্যাটাস
Arogga৳২২.৭৩স্টকে নেই
Rokomariদাম উল্লিখিত নয়উপলব্ধ
Osudpotroদাম উল্লিখিত নয়উপলব্ধ

🛒 অনলাইন অর্ডার

আপনি নিম্নলিখিত অনলাইন ফার্মেসি থেকে এমপা ১০ মি.গ্রা. ট্যাবলেট অর্ডার করতে পারেন


📌 গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ

  • এই ওষুধটি শুধুমাত্র রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সেবন করুন।
  • রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়মিত পরীক্ষা করুন।
  • অস্বাভাবিক উপসর্গ যেমন মাথা ঘোরা, বমি, বা প্রস্রাবের সমস্যা দেখা দিলে চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

Leave a Comment