How do you know if a child has pneumonia, and what to do?


আসসালামুয়ালাইকুম। আমাদের কাছে অনেক সময়ই শিশুর বাবা-মা যখন শিশুকে নিয়ে আসে। বলে যে, আমার বাচ্চার সর্দি কাশি হয়েছে প্রায় সময়ই আমরা এক্সরে করে দেখি যে , বুকের ভিতর নিউমোনিয়া হয়ে আছে অথচ বাচ্চাকে দেখে বোঝাই যাচ্ছে না যে, তার মধ্যে নিউমোনিয়া আছে। তাদের জন্যই যাদের বাচ্চার কখনো না কখনো সর্দি কাশি হয়েছে । সর্দি-কাশি এর সাথে সাধারণত জ্বর থাকে ।

তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে দেখা যায় যে, জ্বর নাও থাকতে পারে অথবা জায়গায় একটু একটু জোর আছে । সেটা উপর থেকে খুব একটা বোঝা যায় না । এদেরকে আমরা সাধারণ সর্দি-কাশির ক্যাটেগরিতে রাখি এবং তাদেরকে আমরা মুখে খাওয়ার ওষুধ দিলে তারা বাসায় গিয়ে ওষুধ খেয়ে আল্লার রহমতে সুস্থ হতে পারে।


এরপর কিছু বাচ্চার সর্দি কাশি বা সামান্য জ্বর এর সাথে শ্বাস-প্রশ্বাসের কিছু অসুবিধা থাকে। দেখা যায়, বাচ্চারা স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক দ্রুত স্বাসপ্রস্বাস নিচ্ছে । এই ক্ষেত্রে বাচ্চাকে আমরা অক্সিজেনের পরিমাণ তা আমরা চেক করে দেখব যে অক্সিজেন টা ঠিকমতো বাড়ছে কি না। বুকের ভেতরে নিউমোনিয়া টা খুব বেশি মনে হচ্ছে কিনা। আমাদের কাছে এটা আমরা মোটামুটি ভালো বুঝতে পারি সাথে যদি একটা এক্সরে করি

শিশুর নিউমোনিয়া রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার

নবজাতকের ও বড়দের নিউমোনিয়া রোগের লক্ষণ:

এক্সরে করলে আরো ভালো একটা ক্লিয়ার ধারণা পাওয়া যায় যে নিউমোনিয়া টা বুকের ভিতরে কতটুকু পর্যন্ত আছে। সেটা লাগছে কোন একটা জায়গায় কনসলিডেশন করে ফেলল কিনা? এটা কিন্তু আমরা একটা এক্সরে পড়ে বুঝতে পারি। এই অবস্থায় কিছু কিছু বাচ্চাদের হসপিটালে ভর্তি করার প্রয়োজন হয়। এবং কিছু কিছু বাচ্চাদেরকে আমরা মুখে খাওয়ার ওষুধ দিয়ে আমরা বাসায় পাঠিয়ে দিতে পারে।

মূল চিন্তার বিষয় হচ্ছে কোন বাচ্চাকে কখনোই বাসায় চিকিৎসা করা যাবে না এবং এই ভুলের কারণে অনেক সময় দেখা যায় যে, শিশুটির মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে এই নিউমোনিয়া থেকে বাচ্চাদের সর্দি কাশি জ্বর।
এগুলো যখন আস্তে আস্তে খারাপ পর্যায়ে যায় যে. অত্যন্ত দ্রুত শ্বাস প্রশ্বাস নিতে থাকে। এবং একটা পর্যায়ে গিয়ে দেখা যায় যে শ্বাস নিতে গেলে তার বুকের খাঁচার ভেতর দিকে ঢুকে যাচ্ছে।

তারপর গলার মধ্যে প্রচুর আওয়াজ হচ্ছে অনেক সময় নাকের এখানে ফ্লোয়ারিং হচ্ছে বাচ্চাকে ঠিকমতো খাওয়ানো যাচ্ছে না। যেসব বাচ্চা বুকের দুধ পান করে, এসে বুকের দুধ ঠিকমত খেতে পারছে না । এতটাই শ্বাসকষ্ট হচ্ছে তারপর যেসব: বাচ্চাই তো বড় হয়ে গেছে যারা বুকের দুধ খায় না , তাদেরকে মুখেও খাবার দেয়া যাচ্ছে না।

শিশুর নিউমোনিয়া রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার

এতটাই অবস্থা খারাপ হয়ে গেছে তো তাদেরকে আমরা অতি দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করে দেখা যায় যে, অধিকাংশ বাচ্চার ক্ষেত্রেই অক্সিজেন দিতে হয়। এর পাশাপাশি কিন্তু আমরা কিছু অ্যান্টিবায়োটিক জাতীয় হচ্ছে শ্বাসকষ্ট কমানোর জন্য আরও কিছু বিশেষ ঔষধ আছে । আমরা সেগুলো প্রয়োগ করতে পারি। চিকিৎসায় কিন্তু অধিকাংশ বাছাই আল্লার রহমতে ভালো হয়ে বাসায় চলে যেতে পারে । আমরা যদি এই বিষয়টা খেয়াল রাখে কোন সময়ে বাচ্চাটাকে দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে তাহলে কিন্তু সেই সুরে।


কষ্ট গুলো কমিয়ে আনা সম্ভব এবং শিশুর মৃত্যুর হাতটাও কমিয়ে আনা সম্ভব। ইনফরমেশনগুলো দেয়ার চেষ্টা কেন করে কারণেই বিষয়গুলো শুধুমাত্র ডাক্তার জানলে হচ্ছে না। কোন সময়টাতে আপনার বাচ্চাকে বা আপনার প্রতিবেশীর বাচ্চাই হোক তাকে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে নিতে হবে । এটা অন্ততপক্ষে আপনাদেরকে জানতে হবে এটা জানলে দেখা যাবে যে সঠিক সময়ে দ্রুত ভালো একটা চিকিৎসা শুরু করা সম্ভব হ

Leave a Comment