আপনারা ইতিমধ্যে জেনেছেন 2006 সালের বাংলাদেশের স্পিকার জউগ্রম সুরুচি প্রক্রিয়া শুরু হয় তারই ধারাবাহিকতায় 2016 17 তে গাজীপুর জেলায় এই পাইলট প্রজেক্ট এর কার্যক্রম শেষ হয় খুবই সেক্সি লাগে অলমোস্ট 95 শতাংশ আমাদের কালোজিরা এবং এ ব্যাপারে মানুষের সারা ছিল অভূতপূর্ব এবং কোন ধরনের কোনো পার্শ্ব পত্রকে তখন ছিল না হতেই শেষে আমরা একদম এখন সম্পূর্ণ প্রস্তুত আমরা প্রথম পর্যায়ে ্বাংরব
লাদেশের মধ্যে ঢাকা ডিভিশন কে সদস্য সরকার স্লিপ করেছেন ঢাকা ডিভিশনের 13 টি জেলায় আমাদের কার্যক্রম অলমোস্ট শেষ আমরা আমাদের মাঠ কর্মীদের প্রশিক্ষণ আমাদের অ্যাডভোকেসি প্রোগ্রাম আমাদের লজিস্টিক আমাদের ফ্যাক্স ইন অল রেডি আমরা যে যে সেন্টারে যাওয়ার কথা আমরা অলরেডি পাঠিয়ে দিয়েছি এবং একইসাথে স্কুলগুলি যেহেতু আমাদের এখানে টার্গেট গ্রুপ হচ্ছে কিশোরী মেয়েরা যাদের বয়স 10 থেকে 14
জরায়ু ক্যান্সারের টিকা কখন দিতে হয়?
আর যারা আমাদের ঠিকা খুলে নিবে তারা স্মার্টফোনের মাধ্যমে তাদের জন্ম নিবন্ধন কার্ড এর মধ্যে নিবন্ধন করবেন নিবন্ধন করে তারা একটি এলইডি টিভির মাধ্যমে তারা ডাউনলোড করে নিয়ে আসবেন তাতে আমরা একই সাথে যারা ঝরে পড়া বাচ্চা রয়েছে যারা স্কুলে পড়তে না যাদের বয়স 10 থেকে 14 কৃষ্ণ মেয়েরা তাদের জন্য আমরা কমিটি লেভেলে আরেকটি সাধারণ করেছি এই দুই ক্ষেত্রেই আসলে কোন পয়সা লাগবে না আমরা দুটি পর্যায়ে একটি হচ্ছে আমাদের প্রথম স্কুল পর্যায়ে আমরা.
ছাত্রসংখ্যা বেশি সেখানে বেশি টিম যাবে যেখানে কম সেখানে কমিটির যাবে আমরা দশ দিনে তাই স্কুলগুলি আমরা টিকা দেওয়ার শেষ করব তারপর আমরা কমিটি লেভেলে চলে যাব 10 থেকে 14 বছর বয়সে একটি করার সবচেয়ে একটি এ পর্যন্ত প্রায় 131 টি দেশে একটি করে দেওয়া হয়েছে এবং সব দেশেই এটা খুব সাকসেসফুল হবে এটা যোগ দিয়েছে
জরায়ুর টিকা দেওয়ার নিয়মঃ
আমাদেরকে জানিয়েছে যে খুব ভালোভাবে এটা কার্যকর হয়েছে এবং আমরা এখন পর্যন্ত যে সাড়া পেয়েছি মানুষের মধ্যে মায়েদের মধ্যে মেয়েদের মধ্যে যে তাতে আমরা জেনেছি বুঝতে পেরেছি যে এটি কার আসলে গ্রহণযোগ্যতা বেশ ভালো এবং আমরা যেদিন মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় 2 তারিখে আবেদন করেছেন সেখানে বৃষ্টি কিশোরী মেয়েকে মৃত্তিকা দিয়েছিলেন এবং কোনো রকম কোনো অসুবিধা হয়নি
তো আমরা আশা করি এবং বিশ্বাস করি আপনাদের সহযোগিতায় আমরা যে আপনারা আমাদের যে হেল্প করছেন বিভিন্ন লেভেলে আমাদের সরকারের সমস্ত স্টেকহোল্ডার আমাদের জেলা প্রশাসন পুলিশ প্রশাসন আমাদের বিভাগীয় পরিচালক তথ্য অফিস থেকে বিভিন্ন ভাবে আমাদের এই তথ্য মানুষের কাছে যাচ্ছে এটি কার্ড নেওয়ার জন্য আপনাদের.
জরায়ু ক্যান্সারের টিকা কোথায় দেওয়া হয়ঃ
জানতে চাই যে দেশের প্রতিটা খুবই সোজা শুধুমাত্র জন্ম নিবন্ধন কার্ড টা থাকলেই সেটা করতে পারবে এইটা হয় যে আমরা সরকারের পরবর্তী টার্গেট বা পরবর্তীতে কোন পরিবহনে রয়েছে আমরা এখন ঠিক আছে কুড়িতেই আমাদের যে ইপিআই টিকা গুলি আমরা কার্ডের মাধ্যমে দেই তখন আমরা অনলাইনে হয়না সমস্ত টিকে আমরা হলে নিয়ে আসবো পৃথিবীর যেকোন প্রান্তে বসেই করতে পারতি কাটা দেওয়া হচ্ছে কিনা জানেন
যে সারা বিশ্বের মধ্যে খুব সাকসেসফুলি ভাবে আমরা এটি কাঁদার করে শেষ করতে পেরেছেন আমার বিশ্বাস আমরা এইচএসসি টিকাদান কর্মসূচি শুরু হবে আগামী 15 তারিখের ইনশাল্লাহ আমরা এটাও খুব সফল ভাবে শেষ করতে পারবো কি ব্যাপারে আপনাদের সহযোগিতা আমাদের প্রয়োজন সবাইকে ধন্যবাদ.





