আসসালামু ওয়ালাইকুম। আজকে আমরা যে মেডিসিন নিয়ে আলোচনা করব তার নাম হচ্ছে এডভান্স। এটি বর্তমানে সিরাপ ফর্মে পাওয়া যায়। অ্যাডভান্স সিরাপটি স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেড কোম্পানির প্রোডাক্ট। অবশ্যই এটি স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড কোম্পানির হারবাল ডিভিশনের প্রোডাক্ট। অ্যাডভান্স সিরাপটি একটি অ্যালকোহল ও চিনিমুক্ত সিরাপ। এজন্য যে কেউ এটি খেতে পারে।
তবে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিয়েই খাবেন। কারণ রোগীর জন্য কোনটি উপযুক্ত সেটি ডাক্তার সঠিকভাবে নির্ধারণ করতে পারে। অ্যাডভান্স সিরাপটি মূলত কাশি, ঠাণ্ডা ও সর্দির চিকিৎসায় দীর্ঘদিন ধরে এটি ব্যবহার করা যায়। দীর্ঘস্থায়ী কাশি নিরাময়ের ক্ষেত্রে। শ্বাসযন্ত্রের খিচুনী রোধ করতে, শ্বাসকষ্ট জনিত কাশি, এলার্জিজনিত কাশি সহ বুকে জমাটবাধা কফ তরল করতে বা বের করতে এটি সাহায্য করে।
এডোভাস সিরাপ এর কাজ কি?
এটি গলার স্বর ভঙ্গ নিরাময়ে কাজ করে, শরীরের অস্বস্তি নিরাময় করে অর্থাৎ গলা ভেঙে যাওয়ার সমস্যা সহ এটি শরীরের কমনীয়তা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। গলার প্রদাহ, জ্বলন, অশান্তি নিরাময়ের ক্ষেত্রে শুষ্ক কাশি নিরাময়ের ক্ষেত্রেও এটি ব্যবহৃত হয়। সাধারণ ঠান্ডা প্রতিরোধে অত্যন্ত কার্যকরী একটি ওষুধ ব্যাকটেরিয়া। ছত্রাক বা প্রদাহ বিরোধী হিসেবে এটি কাজ করে। এটি গালের দুর্গন্ধযুক্ত নিঃশ্বাস দূর করতে সাহায্য করে।
শ্লেষ্মা বা কফ দূর করতে অ্যাজমা সমস্যা। শ্বাসযন্ত্রের দুর্বলতা, ধূমপানজনিত কাশি, খিটখিটে কাশি সহ কাশির তীব্রতা কমাতে অত্যন্ত উপকারী ভূমিকা রাখে। এই সিরাপটি চিনিমুক্ত হওয়ায় ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য অত্যন্ত উপযোগী একটি ঔষধ। কোষ্ঠকাঠিন্য সহ দেহের বিভিন্ন বিষাক্ত পদার্থ বের করতে এটি সাহায্য করে।
কাশির সবচেয়ে ভালো ঔষধ ?
সিরাপটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে। কিছু ক্ষেত্রে এডভান্স সিরাপ মাথাব্যথা, হজমকারক, ব্যথানাশক, স্নায়ুর দুর্বলতা, পেট ফাঁপা, ক্ষুধামন্দা সহ আরও বিভিন্ন সমস্যা নিরাময়ে অন্যতম ভূমিকা রাখে এই সিরাপটি। তন্দ্রাচ্ছন্নতা ও ঝিমুনি মুক্ত একটি সিরাপ শিশু ও বয়স্কদের জন্য সমভাবে এটি উপকার করে।
যেহেতু এটি একটি হারবাল ডিভিশনের সিরাপ, সেজন্য গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে ব্যবহারের ক্ষেত্রে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। এডভান্স সিরাপটি রোগীর সমস্যা ভেদে এর ডোজ নির্ধারণ হয়। তবে বারো বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে এক থেকে দুই চামচ করে অর্থাৎ পাঁচ থেকে দশ এমএল করে দিনে দুই থেকে তিনবার খাওয়া যায়।
বাংলাদেশের শুকনো কাশির জন্য সিরাপ ভালো?
প্রাপ্ত বয়স্কদের ক্ষেত্রে তিন চামচ অর্থাৎ 10 মিলি করে দিনে দুই থেকে তিনবার খাওয়া যায়। কাশির তীব্রতা বেশি হলে হালকা গরম পানির সাথে মিশিয়ে ব্যবহার করলে ভাল হয়। সিরাপ টি তে তেমন কোন সাইড ইফেক্ট নেই। তবে অত্যাধিক মাত্রায় কেউ ব্যবহার করে ফেললে ডায়রিয়া, বমি বমি বমি ভাব সহ আরো বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে। সবাই সুস্থ থাকুন। আল্লাহ হাফেজ।





