আসসালামু আলাইকুম । একটি গুরুত্বপূর্ণ ওষুধের রিভিউ নিয়ে আপনাদের মাঝে উপস্থিত হয়েছি টেকনোলজিস্ট এবং প্যারামেডিকেল ডাক্তার নিয়ে আলোচনা করব আপনারা স্ক্রিনেই দেখতে পাচ্ছেন ওষুধটির নাম হচ্ছে পিউরিসাল সিরাপ জাতীয় ঔষধ।
আরে অসত্যের উপাদানের মধ্যে রয়েছে লিভোসালবিউটামল আরে উৎপন্ন করেছে । বাংলাদেশের স্বনামধন্য ঔষধ কোম্পানি ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড। এর কার্যকরিতা কি অর্থাৎ কোন কোন রোগের ক্ষেত্রে এই সাপটিকে ব্যবহার করা হয় । সেটি আমি আপনাদের বলে দলটির কার্যকরিতা বলতে গেলে অ্যাজমা বা হাঁপানি রোগের চিকিৎসায় মূলত পিউরিসাল সিরাপ টিকে ব্যবহার করা হয়।
অর্থাৎ যাদের হাঁপানি রোগের কারণে প্রচুর পরিমাণে শ্বাসকষ্ট হয় নিঃশ্বাস টেনে টেনে নিতে হয় বুকের ভিতর শো শো শব্দ হয় প্রচুর পরিমাণে কাশি হয় এবং নিশ্বাসকষ্ট করে নিতে হয়। তাদের জন্যই মূলত এই অসুখটি কে ব্যবহার করা হয়। আমি এক কথাতে যদি বলতে যাই তাহলে হাঁপানি রোগের চিকিৎসায় মূলত এর ওষুধ ব্যবহার করা হয়।
Purisal syrup এর কাজ কি?
এবার আসুন যে আসলে পিউরিসাল সিরাপ সেবন বিধি কি? সেটি আমি আপনাদের বলে 265 সেবন বিধি বলতে গেলে বিশেষ করে যাদের বয়স 12 বছরের উপরে এবং যারা প্রাপ্তবয়স্ক তাদের ক্ষেত্রে এক থেকে দুই চা চামচ দিনে তিনবার সেবন করতে হবে। আর যারা অপ্রাপ্তবয়স্ক অর্থাৎ যাদের বয়স ছয় থেকে 11 বছরের ভেতর তাদের ক্ষেত্রে 1 চা চামচ দিনে তিনবার সেবন করতে হবে । অর্থাৎ সকালে একবার দুপুরে একবার এবং রাত্রে খাবারের পরে ওষুধ সেবন করতে হবে।
আর এই ওষুধটির উপাদানের প্রতি অর্থাৎ লিভোসালবিউটামল এর প্রতি যে সকল রোগীদের অত্যান্ত সংবেদনশীলতা আছে। সে সকল রোগের আক্রান্ত এই ওষুধ সেবন করতে পারবেনা। আর ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কথা যদি বলতে যাই তাহলে হৃদস্পন্দন বেড়ে যেতে পারে। মাংসপেশির খিঁচুনি হতে পারে বমি ভাব হতে পারে বুক জ্বালাপোড়া করতে পারে ডায়রিয়া হতে পারে মাথা।
কষ্ট করে নিতে হয় তাদের জন্যই মূলত এই অসুখটি কে ব্যবহার করা হয়। আমি এক কথাতে যদি বলতে যাই তাহলে হাঁপানি রোগের চিকিৎসায় মূলত এর ওষুধ ব্যবহার করা হয়। এবার আসুন যে আসলে পিউরিসাল সিরাপ সেবন বিধি কি সেটি আমি আপনাদের বলে 265 সেবন বিধি বলতে গেলে, বিশেষ করে যাদের বয়স 12 বছরের উপরে এবং যারা প্রাপ্তবয়স্ক তাদের ক্ষেত্রে এক থেকে দুই চা চামচ দিনে তিনবার সেবন করতে হবে।
পিউরিসাল ১ কিসের ঔষধ?
আর যারা অপ্রাপ্তবয়স্ক অর্থাৎ যাদের বয়স ছয় থেকে 11 বছরের ভেতর তাদের ক্ষেত্রে 1 চা চামচ দিনে তিনবার সেবন করতে হবে অর্থাৎ সকালে একবার দুপুরে একবার এবং রাত্রে খাবারের পরে ওষুধ সেবন করতে হবে। আর এই ওষুধটির উপাদানের প্রতি অর্থাৎ লিভোসালবিউটামল এর প্রতি যে সকল রোগীদের অত্যান্ত সংবেদনশীলতা আছে।
সে সকল রোগের আক্রান্ত এই ওষুধ সেবন করতে পারবেনা। আর ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কথা যদি বলতে যাই তাহলে, হৃদস্পন্দন বেড়ে যেতে পারে মাংসপেশির খিঁচুনি হতে পারে .বমি ভাব হতে পারে, বুক জ্বালাপোড়া করতে পারে, ডায়রিয়া হতে পারে মাথা।





