হাই প্রিয় ভিউয়ার্স স্কিনে যে মেডিসিন টি দেখতেছেন এর জেনেরিক নাম হল সিপ্রোফ্লক্সাসিন। এর কাজ কি? এর উপকারিতা কি? এটি খাওয়ার সঠিক নিয়ম কি? এটি খাওয়ার পূর্বে কি ধরনের সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে? এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কি? এ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব। এ ঔষধটি মূলত কয়েকটি ক্যাটাগরিতেই পাওয়া যায়। তবে আজকে আমি এর ট্যাবলেটটি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব।
যে সকল রোগীদের জন্য এ ঔষধটি দেওয়া হয়ে থাকে। এটি একটি শক্তিশালী এন্টি বায়োটিক ঔষধ। যে সকল রোগীদের সাধারণ জ্বর জ্বর আসে এবং চলে যায়। বিভিন্ন সময় জ্বর আসে এবং চলে যায়। প্যারাসিটামল খাওয়ার পরেও যাদের এই জ্বর ভালো হচ্ছে না এরকম জ্বর, ডায়রিয়া, পাতলা পায়খানা, পেটে ব্যথা করা, বার বার বাথরুমে যাওয়া অর্থাৎ পেটে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা সৃষ্টি হওয়া।
Ciflocin 500 এর কাজ কি
মূত্রনালীতে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা সৃষ্টি হওয়া। প্রসাবে জ্বালাপোড়া করা। সঠিকভাবে প্রসাব না হওয়া। শ্বাসতন্ত্রে বিভিন্ন সমস্যা সৃষ্টি হওয়া। উর্ধ্ব ও নিম্ন শ্বাসতন্ত্রের সমস্যা সৃষ্টি হওয়া। ব্যাকটেরিয়া দ্বারা বিভিন্ন সংক্রমণ সৃষ্টি হওয়া। নিউমোনিয়া।সাইনোসাইটিসের সমস্যা। ত্বকে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা সৃষ্টি হওয়া। পরিপাকতন্ত্রের সমস্যা। গনোরিয়া সমস্যা। এ সকল সমস্যা দূর করতেই মূলত ঔষধটি দেয়া হয়ে থাকে।
তাছাড়া যেহেতু এটি একটি শক্তিশালী এন্টি বায়োটিক ঔষধ এটি অন্যান্য রোগের জন্যও দেয়া হয়ে থাকে। এটি এ সকল সমস্যা দূর করতে খুবই কার্যকরী একটি ঔষধ। 10 টি খাবার নিয়ম। সাধারণত প্রাপ্ত বয়স্ক দৈনিক একটি করে ট্যাবলেট এক থেকে দুবার সকালে এবং রাতে খাওয়া যেতে পারে। এটি অবশ্যই খাবার পরে খেতে হবে এবং সাথে যে কোন একটি গ্যাস্টিকের ঔষধ খেয়ে নেয়াটা খুবই ভালো। এ ঔষধটি খাওয়ার পূর্বে কিছু সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
সিপ্রোফ্লক্সাসিন ৫০০ খাওয়ার নিয়ম
যেহেতু এটি একটি শক্তিশালী এন্টি বায়োটিক ঔষধ তাই এটি কোনভাবে আন্দাজে কিংবা একা একা মনগড়াভাবে খাওয়া যাবেনা। এটি খাওয়ার পূর্বে অবশ্যই একজন রেজিস্টার্ড ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী খেতে হবে। কেননা ডাক্তার প্রথম অবস্থায় রোগীকে দেখে এবং পরীক্ষা নিরীক্ষা করে বুঝতে পারবেন রোগীর শরীরে কি ধরনের সমস্যা রয়েছে। রোগীর শরীরে যে ধরনের সমস্যাই থাকুক না কেন, ডাক্তার যদি মনে করেন যে এ ঔষধটি দ্বারা রোগীর এ সকল সমস্যা দূর করা সম্ভব তাহলে ডাক্তার এই ঔষধটি দিবেন।
আর সাথে যদি অন্য কোন মেডিসিন প্রয়োজন হয় ডাক্তার সেটিও দিতে পারেন। সেক্ষেত্রে অবশ্যই এই মেডিসিন টি খাওয়ার পূর্বে একজন রেজিস্টার্ড ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়াটা কিন্তু অতি জরুরী। ঔষধটির পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া। এ ঔষধটির তেমন কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই। তবে অল্প সংখ্যক রোগীর ক্ষেত্রে কিছু পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। যেমন ডায়রিয়া হওয়া, বমি বমি ভাব হওয়া কিংবা বমি হওয়া। মাথা ব্যথা করা। পরিপাকতন্ত্রে বিভিন্ন সমস্যা সৃষ্টি হওয়া, পেটে ব্যথা করা, ত্বকে ফুসকুড়ি ওঠা, শরীর দুর্বল লাগা ইত্যাদি হতে পারে।
সিপ্রোফ্লক্সাসিন: ব্যবহার, পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া
তবে এটি অল্প সংখ্যক রোগীর ক্ষেত্রে হয়ে থাকে। গর্ভবতী অবস্থায় এবং স্তন্যদান কালীন সময়ে ঔষধটি না খাওয়াটাই উত্তম। এ সময় ঔষধটি খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। যদি আপনাদের এই ঔষধটি সম্পর্কে আরো কিছু জানার থাকে তাহলে অবশ্যই আমাদেরকে কমেন্ট করে জানাবেন। তাছাড়া যদি অন্য কোন মেডিসিন কিংবা স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে জানার থাকে তাও আমাদেরকে কমেন্ট করে জানাবেন।
আর যদি আমাদের ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই আমাদের এই চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে আমাদের সাথেই থাকুন। আর যারা ফেসবুক পেইজে অবশ্যই এই পেজটি ফলো করে পাশে থাকবেন। ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন।





