আমরা কিডনির ডায়েট নিয়ে কিছুটা আলোচনা করেছি যে. কি খাবার গুলো বাদ দিতে হবে যে, খাবারগুলো কিডনির ক্ষতি করে সেই খাবারগুলো নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি এবং কিডনির অসুখের চিকিৎসা পদ্ধতিও কিছুটা আলোচনা আমরা করেছি গুলোতে কিন্তু আসলে আমরা কিডনির সমস্যা থাকলে কি খাব কোন খাবারগুলো মনে সন্দেহ না রেখে ,
খেতে পারি অথবা যে খাবারগুলো খেলে আমাদের কিডনির ক্ষতি কম হবে এবং ব্লাডে কিডনি খারাপ হলে যে, প্যারামিটারগুলো ওপর-নিচে হয়ে যায়।খাবার খাবার দরুন বা খাবারের ঠিকঠাক সামঞ্জস্য না থাকার জন্য বা কিডনির ব্যালেন্স না থাকার জন্য তো সেই ব্যাপারে আজকে আমাদের ।
.
খাবার থাকে যে খাবারের মধ্যে অধিক নুন থাকে যে খাবারের মধ্যে পটাশিয়াম বেশি থাকে এবং যে খাবারের মধ্যে রাসায়নিক বেশি থাকে কেমিক্যালস বিভিন্ন রোগ হতে পারে। বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ হতে পারে কিন্তু কিছু ফাইটোকেমিক্যালস আছে গাছ গাছ ছেলের মধ্যে মানে গাছ গাছরার মধ্যে কিছু কেমিক্যাল আছে,
কিডনি রোগীদের খাদ্যতালিকা |
যেগুলোকে ফাইটোকেমিক্যালস বলে। যেগুলোকে আমরা ফেলাবে 98 বা অ্যান্টি অক্সিডেন্ট হিসেবে তিনি সেই খাবারগুলো কিডনির জন্য ভালো এবং সেই খাবারগুলো কিডনির কিছুটা উপকার করে এবং কিডনি ড্যামেজ বা ক্ষতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণ করে।
কিডনি রোগীদের খাদ্যতালিকা |
এখন কিডনিতে প্রোটিন কিভাবে মেটাবলিজম হয়। প্রোটিন কতটা খাব কিডনির অসুখে সেই ব্যাপারে আমাদের বিস্তার প্রশ্ন থাকে? তো আজকে আমরা সেই সমস্ত খাবার নিয়ে আলোচনা করব যে, সমস্ত খাবার কিডনির অসুখে আপনি খেতে পারেন। কিন্তু আমি এটা বলছি না যে, অনেক অনেক খেতে পারেন বা অনিয়ন্ত্রিত পরিমাণ খাবার খেতে পারেন । তা নয় কিন্তু সেই খাবারগুলো কিডনির অসুখে আপনারা খেতে
পারেন । সেরকম আমরা আঠারোটা খাবারের নাম বলব প্রথমে আমাদের বলতে হবে যে, কিডনির সমস্যা থাকলে আমাদের নুন কতটা পার্মিসিবল আপনি সারাদিন গ্রাম খেতে পারেন সারাদিন এসব খাবারের মধ্যে যা জানুন, আছে কিন্তু সব হিসাব করে বলছি এক্সট্রাপাওয়ার কথা বলিনি আপনার তরকারি শাকসবজি যারা ,রেগুলার খাবার খাচ্ছেন তার মধ্যে জানুন আছে মোটামুটি রাফির জৌগ্রাম টু ক্যালকুলেট করা খুব কঠিন তার জন্য বলি রান্নার মধ্যে খাবার যে আপনারা।
যে খাবার খেলে কিডনি ভাল থাকে।
আমরা কিডনির ডায়েট নিয়ে কিছুটা আলোচনা করেছি যে ,কি খাবার গুলো বাদ দিতে হবে যে, খাবারগুলো কিডনির ক্ষতি করে । সেই খাবারগুলো নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি এবং কিডনির অসুখের চিকিৎসা পদ্ধতিও কিছুটা আলোচনা আমরা করেছি । কিন্তু আসলে আমরা কিডনির সমস্যা থাকলে কি খাব কোন খাবারগুলো মনে সন্দেহ না রেখে, খেতে পারি
অথবা যে খাবারগুলো খেলে আমাদের কিডনির ক্ষতি কম হবে এবং ব্লাডে কিডনি খারাপ হলে যে প্যারামিটারগুলো ওপর-নিচে হয়ে যায় খাবার । খাবার দরুন বা খাবারের ঠিকঠাক সামঞ্জস্য না থাকার জন্য বা কিডনির ব্যালেন্স না থাকার জন্য তো সেই ব্যাপারে আজকে আমি ডক্টর এসেম্বলি আমাদের চ্যানেলে আপনাদের সবাইকে স্বাগতম তো প্রথমেই বলি কিডনির সমস্যার মূলে কি খাবার গুলো থাকে কিডনি সমস্যার মূলে সেই সং।
ক্র্যানবেরি রাসবেরি এগুলো কথা বলতে চাই এগুলো মধ্যে পটাশিয়াম ফসফরাস ফসফেট এবং প্রোটিন কম থাকে এবং এর মধ্যে অ্যান্থোসায়ানিন থাকে যে বিভিন্ন রঙের বেরিজ এ কালারগুলো অ্যান্থোসায়ানিন থেকে আসে এগুলো কিডনির স্বাস্থ্যের জন্য ভালো ডায়াবেটিসে ভেতরে ইনফেকশন বা প্রদাহের কথা বারবার বলে থাকি সেগুলো শুধু তাই নয় এটা কার্ডিওভাসকুলার বেনিফিটস অফ আছে তারমানে এগুলো আমাদের রক্তবাহ গুলোকে সতেজ রাখে
খাবার তালিকা মূল্যায়ন
এবং সেগুলো ইলেকট্রিসিটি মেনটেন করে তো এগুলো ব্লুয়েবেরিজ গ্রুপটা কে আমি আর দুই নম্বরে রাখছি কিডনি রোগীরা এগুলো খেতে পারবেন তিন নম্বরে আমরা বলি মাছের কথা অ্যানিম্যালস থেকে একজন কিডনি সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি যদি প্রোটিন নিতে চান তাদের মধ্যে সর্বোৎকৃষ্ট হচ্ছে মাছ মাছের যে প্রোটিন টা সেটা খুব সহজে হজম হয়ে যায় এটা এক নম্বর পয়েন্ট 2 নম্বর যদি বাচ্চা।
সামুদ্রিক মাছ হয় কিডনিটা কিন্তু সামুদ্রিক মাছ অল্প হলেও খেতে পারবেন কারণ আমাদের স্টার্মাকের কিডনি বোঝেনা ওটা সামুদ্রিক মাছ কিনা। নিয়মটা আমি বলে দিচ্ছি যদি সামুদ্রিক মাছ হয় তার মধ্যে ওমেগা 3 ফ্যাটি এসিড থাকে সেটা আবার হাঁটা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো একটা জিনিস আপনাকে মনে রাখতে হবে যে জায়গার মধ্যে মাছের যে অংশের মধ্যে বেশি পটাশিয়াম ফসফরাস থাকে বিশেষত ফসফরাসের কথা বলছি সেটা হচ্ছে
মাছের কাটা এবং মাছের মাথা এই দুটো জিনিস আপনাকে অবহিত করতে হবে আপনি মাছ মাংস টা যে প্লেস অফ দা ফিস সেটাকে আপনি খেতে পারবেন বলেন যে অংশটা আমরা মাছের খাই সেটাকে আপনি খেতে পারবেন সেটা আপনার কিডনি স্টেশন বলে দেবেন কত গ্রামের মাছ হবে সাধারণত আমি বলে দিয়েছি 50 60 গ্রাম মাশরাফি সারাদিন খেতেই পারবেন আপনার প্রাণ ঝরাতে হবে না আপনি একটা যথেষ্ট প্রমাণ সাইজের একটা ভালো সাইজের মাছ আপনি খেতে পারবেন।
এইটা খুব ইম্পর্টেন্ট করে এর মধ্যে পটাশিয়াম অতটা নেই কিন্তু কম পটাশিয়াম আছে। এবং এর মধ্যে ফসফর ফসফেট খুব বেশি নেই একদম খুবই অল্প পরিমাণ । এবং কিছু কিছু প্রজাতির যে লাল আঙ্গুর হয় তাদের অস্ত্র থাকে না এবং এই এর মধ্যে আপনি যেটা পাবেন সেটাই চেয়ে ফ্ল্যাভনয়েড যেটা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এর কথা আমি বলি যে, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হলো আমাদের শরীরের মধ্যে যে রিএকটিভ অক্সিজেন স্পিসিস সেগুলোকেও ইলেকট্রন বলা যায়
শারিরীক ব্যায়ামের মাধ্যমে কিডনি ভাল থাকে।
অক্সিজেন বিকেলগুলো থাকে সেগুলো খেয়ে নষ্ট করে দেয়। সেই গুলো কিভাবে নষ্ট করে এবং সেটা লাল আঙ্গুরের মধ্যে থাকে এবং ইনফ্লামেশন জড়িত কিডনি খারাপ হওয়ার যেটা আমরা ডায়াবেটিস এবং ব্লাড প্রেশারের দেখি তাকে কিছুটা হলেও আটকায় তো আমি চার নম্বরের লাল আঙ্গুর কে রাখছে পাঁচ নম্বরে আমি যেটা রাখতে চাই সেটা হচ্ছে ডিমের সাদা অংশ।
ডিমের হলুদ অংশের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট থাকে । সেজন্য ডিমের সাদা অংশ আপনি খেতে পারেন একটা যাদের প্রোটিন দেফিশিয়েন্সি আছে এবং যারা প্রোটিনের সোর্স নিতে চান এটা প্রিয়র ফর্ম অফ প্রোটিন ডিমের সাদা অ্যালবুমিন বল এটাকে এই অ্যালবামে এটা আপনি খেতে পারেন একজন কিডনি সমস্যায় ভুগছেন তিনি কিন্তু তিনটে ডিমের সাদা প্রত্যেকদিন খেতে পারেন হ্যাঁ আপনি ঠিকই শুনছেন তিনটে ডিমের সাদা খেতে পারেন তার কিডনির কোন সমস্যা হবে না।
এবার অনেকেই মনে করেন না আমার খেতে ভয় করছে তিনটে দোকান কিন্তু আপনি কি ডিমের সাদা অংশ খেতে পারেন। পটাশিয়াম কম আছে,ফসফেট নেই এবং এটা খুব সহজে হজম হয়ে যায় এবং যাদের কিডনির সঙ্গে কোলেস্টেরলের প্রবলেম বা অন্যান্য হার্টের সমস্যা আছে। তারা নির্দ্বিধায় খেতে পারেন তো ডিমের সাদা
অংশটা আপনারা খেতে পারবেন ।আমরা রসুন বাগানে কথা বলতে চাই সালফার থাকে বলে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে আমাদের হার্ট ডিজিজ এর জন্য ভালো ডায়াবেটিসের জন্য ভালো ব্লাড প্রেসারে প্রবলেম থাকে ব্লাড প্রেসারে যাবে প্রবলেম তারা রসুন খেলে ব্লাড প্রেসার কমবে এর মধ্যে ভিটামিন।





