আসসালামু ওয়ালাইকুম। আজকে থাইরক্সিন মেডিসিন নিয়ে আলোচনা করব। থাইরক্সিন মেডিসিন টি বর্তমানে কেবল ট্যাবলেট হিসেবে পাওয়া যায়। ট্যাবলেট হিসেবে থাইরক্সিন মেডিসিন, টি পচিশ, এমসিজি বা মাইক্রোগ্রাম পঞ্চাশ মাইক্রোগ্রাম এবং 100 এমসিজি বা মাইক্রোগ্রাম ফর্মে পাওয়া যায়।
আজকে থাইরক্সিন মেডিসিন টি কি কি সমস্যার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়, এর খাওয়ার নিয়ম, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বা সাইড ইফেক্ট খুবই সহজভাষায় তুলে ধরার চেষ্টা করব। থাইরক্সিন মেডিসিন টির জেনেরিক নাম হচ্ছে লিভার থাইরক্সিন সোডিয়াম। এটি রেনেটা লিমিটেড কোম্পানির প্রোডাক্ট। মেডিসিন টি অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে খাবেন।
থাইরক্স ট্যাবলেট এর কাজ কি?
কারণ এই মেডিসিন এর সাথে অন্যান্য মেডিসিন এর সাথে বা খাবারের সাথে যথেষ্ট ক্রিয়া প্রতিক্রিয়া থাকতে পারে। ডাক্তার এ সকল ধরনের সমস্যার কথা বিবেচনা করে সঠিক ওষুধ এবং তার খাওয়ার নিয়ম নির্ধারণ করে থাকে। থাইরক্সিন ট্যাবলেট মূলত শরীলে থাইরয়েড হরমোনের ঘাটতি জনিত চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। শরীলে থাইরয়েড হরমোনের ঘাটতি হলে যেসব লক্ষণ দেখা দিতে পারে। ক্লান্তি। ঠাণ্ডা সহ্য না হওয়া। ওজন বৃদ্ধি। কোষ্ঠকাঠিন্য। বিষণ্ণতা। ধীর গতি বা ধীর চিন্তাভাবনা। পেশী ব্যথা বা দুর্বলতা।
শুষ্ক বা খসখসে ত্বক, ভঙ্গুর নখ বা চুল। যৌন শক্তি কমে যাওয়া বা ব্যথা। অসাড়তা। হাত বা আঙ্গুলে কাঁপুনি। অনিয়মিত পিরিয়ড বা হ্যাপি পিরিয়ড। বয়স্ক ব্যক্তিদের স্মৃতিশক্তি সমস্যা দেখা দিতে পারে। বিষণ্ণতা। বিকাশ অনেক ধীর গতিতে হতে পারে। এছাড়াও থাইরক্সিন মেডিসিন টি হাইপোথাইরয়েডিজমের সমস্যায়ও ব্যবহৃত হয়।
THYROX Tablet কি জন্য ব্যবহৃত হয়?
শরীরে পর্যাপ্ত থাইরয়েড হরমোন তৈরি না হলে বা থাইরয়েড হরমোন ভালভাবে সিলেকশন বা নিঃসরণ না হলে বা বন্ধ হয়ে গেলে। এই থাইরক্সিন মেডিসিন টি থাইরয়েড হরমোনের ন্যায় কাজ করে সেটিকে স্বাভাবিক রাখে। এই সমস্যার লক্ষণগুলোর মধ্যে হচ্ছে গলা ফোলা বা সমস্যা, দুর্বলতা, ওজন কমে যাওয়া ইত্যাদি। এছাড়া গলগণ্ড চিকিৎসায়, থাইরয়েড ক্যান্সার বৃদ্ধি রোধে বা পুনরায় না হওয়া রোধে বা থাইরয়েড ক্যান্সার সার্জারি ও রেডিও আয়োডিন থেরাপির সাথে ব্যবহৃত হয়।
থাইরয়েডের সাথে সম্পৃক্ত বিভিন্ন জাতীয় সমস্যায়ও এটি ব্যবহার হয়ে থাকে। বিভিন্ন ধরনের অ্যালার্জি। ডায়াবেটিস, হার্টের সমস্যা থাকলে অবশ্যই ডাক্তারকে জানিয়ে এই ওষুধটি সেবন করবেন। হৃদপিন্ড, উচ্চ রক্তচাপ, বৃক্ক বা যকৃতের সমস্যা ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এ ওষুধটি সুপারিশকৃত নয়। তবুও ডাক্তার সেটি নির্ধারণ করব
THYROX এর সুবিধা কিকি?
গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে। ডাক্তারের পরামর্শ সাপেক্ষে এটি ব্যবহার করতে হবে। ওষুধটি খাওয়ার নিয়ম বলতে হলে অবশ্যই প্রেসক্রিপশনের নিয়ম অনুসারে এটি খাবেন। এটি বয়স ও রোগের সাপেক্ষে এর ডোজ নির্ধারণ হয়। ঘাটতি জনিত চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। শরীলে থাইরয়েড হরমোনের ঘাটতি হলে যেসব লক্ষণ দেখা দিতে পারে।
ক্লান্তি। ঠাণ্ডা সহ্য না হওয়া। ওজন বৃদ্ধি। কোষ্ঠকাঠিন্য। বিষণ্ণতা। ধীর গতি বা ধীর চিন্তাভাবনা। পেশী ব্যথা বা দুর্বলতা। শুষ্ক বা খসখসে ত্বক, ভঙ্গুর নখ বা চুল। যৌন শক্তি কমে যাওয়া বা ব্যথা। অসাড়তা। হাত বা আঙ্গুলে কাঁপুনি। অনিয়মিত পিরিয়ড বা হ্যাপি পিরিয়ড। বয়স্ক ব্যক্তিদের স্মৃতিশক্তি সমস্যা দেখা দিতে পারে।
থাইরক্স ট্যাবলেট – ব্যবহার, পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া
বিষণ্ণতা। বিকাশ অনেক ধীর গতিতে হতে পারে। এছাড়াও থাইরক্সিন মেডিসিন টি হাইপোথাইরয়েডিজমের সমস্যায়ও ব্যবহৃত হয়। শরীরে পর্যাপ্ত থাইরয়েড হরমোন তৈরি না হলে বা থাইরয়েড হরমোন মাত্রায় দিনে পচিশ মাইক্রোগ্রাম থেকে একশ পঞ্চাশ মাইক্রোগ্রাম পর্যন্ত এটি খাওয়া যায়। রোগের সাপেক্ষে দুই সপ্তাহ পরপর এর ডোজ বাড়ানো বা কমানো হতে পারে। থাইরক্সিন মেডিসিন টি খালি পেটে খেতে হয়।
খাওয়ার অন্তত 30 মিনিট আগে খেলে উত্তম হয়। মেডিসিন টির বেশ কিছু সাইড ইফেক্ট বা পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া আছে। কিছু ব্যক্তির ক্ষেত্রে এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। সবার উপরে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার প্রভাব পড়ে না। এই ট্যাবলেটটি খাওয়ার পরে বুকে ব্যথা, হৃৎস্পন্দনের সমস্যা, মাংসপেশির খিচুনি, ডায়রিয়া, বমি, মাথাব্যথা, অস্থিরতা, ঘাম ঝরা ইত্যাদি সমস্যা দেখা দিতে পারে। সবাই সুস্থ থাকুন। আল্লাহ হাফেজ।





