ওয়েলকাম টু হেল ইনসাইড এগেন। তো আজকে আমরা এই এপিসোডে একটা ইন্টারেস্টিং জিনিস যেটা ডিসকাস করব সেটা হচ্ছে হাঁটু অবধি ইনজেকশন দেওয়া। ইনজেকশন দেওয়ার ইন্ডিকেশন কি, কাদেরকে দেওয়া হয়, কাদেরকে নেওয়া উচিত এবং এই ইঞ্জেকশনের কী কী কন্ট্রাডিকশন আছে? মানে যেখানে দেওয়া উচিত নয়। আসুন আজকে ব্রিফ একটু আলোচনা করি। ইঞ্জেকশন হায়ালুরোনিক অ্যাসিড যেটা আমরা কমই দিয়ে থাকি। হাঁটু যেটা আমরা জানি, জেলি শুকিয়ে গেলে আমরা জেলি রিপ্লেসমেন্ট করবে।
স্টার্টারের জেলি। এটা হচ্ছে হাঁটু পর্যন্ত লিকুইড হায়ালুরোনিক অ্যাসিড। এটার যে মলিকিউল এটা নিতে নরমালি ন্যাচারালি পাওয়া যায়। তো অস্টিওআর্থ্রাইটিস এ যখন হয় বয়সকালে, ষাট বছরের পরে, তখন বা যেকোনো কন্ডিশনে যদি নিয়মিত আর্থ্রাইটিস প্রোগ্রেস করে ইউএন ফিফটি ও পঞ্চাশ বছর বয়সেও হতে পারে, তখন এই ন্যাচারাল এই হায়ালুরোনিক অ্যাসিড মলিকিউল এটা ওটা ব্রেকডাউন করে দেয়। যখন করে তখন এই চেইনটা আর কাজ করতে পারে না নিজের লুব্রিকেশন প্রোভাইড করার জন্য।
হাঁটু ব্যথা চিকিত্সা NYC | অর্থোপেডিক বিভাগ
এর মানে হচ্ছে ফ্রিকশন কম এর জন্যে তখন। এই ফ্লুইড টাকে সার্কুলেট করেন তখন হাঁটুর মধ্যে এটা ফ্রিকশন বিভাজন করে না। চেন? মন্টু বলেন আর্থ্রাইটিস গুলো শুরু হয়ে যায়। ধরুন যেই পেশেন্টকে ওয়েট করছেন রিপ্লেসমেন্টের মানে ধরুন আজকে করাবে না, পরের বছর করাবে বা যারা ইন্টারভিউ বোর্ডে এখনও প্ল্যান করেনি যে আমরা রিপ্লেসমেন্ট করব বা হয়তো দু তিন বছর পরে আমরা করতে চাই, তাদের জন্য এই ইঞ্জেকশন টা অতি আবশ্যক এবং অতি ভালো।
জরুরি এবং জিনিসটা খুব ভালো কাজে দেয়। কারণটা বায়োলজিকাল মলিকিউল। এইটা ন্যাচারাল মলিকিউল। এটা যেটা হচ্ছে যে রিসার্চ প্রোডাক্ট এটা এটা হার্টের মধ্যে দিলে ন্যাচারাল নর্ম্যাল যে হাইড্রো ডায়নামিক লুব্রিকেশন যেগুলো হয় এই ফ্রিকশন গুলো প্রিভেন্ট করে জয়েন্ট সারফেস গুলোকে ভালো করে লুব্রিকেট করে। মানে এটা জয়েন্ট বিয়ারিং এর মধ্যে যেমন গ্রিজ ঢালে যেরকম সুন্দরভাবে কাজ
কিভাবে প্লাজমা ইনজেকশন হাঁটু ব্যথা এবং আঘাতের উপকার করে?
করে সেই জিনিসটা লিকুইড গ্রিজ এর মতন কাজ করে। একটা হেভি মলিকিউল জয়েন্ট থেকে ভেঙে চলে যায়। না এটা অনেকদিন থাকে। এটা ভালো ভালো কোম্পানি যারা আছে তারা এক বছরের জন্যে বলে যে বছরে একবারই দিতে হবে। কারণ মলিকিউল অঞ্চলটি মোটামুটি এক বছরের মতোনই থাকে। তবে হাঁটু মুড়ে দিলে এটা ফ্রিকশন যেহেতু প্রিভেন্ট করে তার পেন্টটা কম হয়। আমাদের ব্যাথাটা কম ফিল করি।
যদি কম হয় তাহলে আমাদের মোবিলিটি ন্যাচারালি বাড়বে। মানে হাঁটা চলা করলে সব বাড়বে। তবুও একটু মোবিলিটি বাড়লে যেটা আমাদের ফিলিং অফ ওয়েলবিং আসে। তো এইগুলো হচ্ছে চেইন অফ ইভেন্ট যেটা ইঞ্জেকশন দিলেই এডভান্টেজ গুলো পাওয়া যায়। এবং এতে সাইড এফেক্ট বলতে গেলে খুবই কম। কানের মধ্যে কোনো স্টেরয়েড নেই বা অন্য কোনো কম্পোনেন্টস নেই। অন্য অ্যানিম্যাল
হাঁটু ব্যাথার কারণ ও চিকিৎসা
সোর্স থেকে যেগুলো মানে হাঁটু মোটামুটি ইনফ্ল্যামেশন কাজ করতে পারে। কাজেই সেই জিনিসটা আপনি ফ্রি হয়তো পেয়েছেন বা একটু ব্যথা হতে পারে। সেগুলো সাময়িক এবং ইজিলি কন্ট্রোল্ড স্ক্যালপেল দিলেই সেটা সেটল করে যায়। যারা ওয়েট করছেন তাদের জন্য এইটা। ইভেন ডায়াবেটিক পেশেন্ট যারা থাইরয়েড পেশেন্ট তারা বা যারা ইসকেমিক হার্ট ডিজিজ ব্লাড প্রেশারের মধ্যে আছেন তারাও ইঞ্জেকশন নিতে পারেন।
এখানে কোনো বাধ্যবাধকতা নেই বা কোনো কণ্ঠ, ইন্ডিকেশন বা কোন ইঞ্জেকশন দিলে কোনো কিছু খারাপ হয়ে শরীর খারাপ হয়ে যাবে এমন কোনো কথা নেই। এমন কোনো কন্ডিশন। নিজে ইনজেকশন নেওয়ার পরে সাত দিন বেড রেস্টে থাকতে হতে পারে। অনেকেই ভয় করে অপারেশন শেষে বলেছে যে ইঞ্জেকশন নিলে কি বেড রেস্টে থাকতে হবে?
হাঁটু জেল ইনজেকশন প্রস্তুতকারক এবং সরবরাহকারী
আদৌ তা নয়। এটা আউটডোর প্রসিডিউর হিসেবে নেওয়া যেতে পারে। ছোট্ট একটা লোকাল ট্রেনের সিডিউল দিয়েই হাঁটুতে ইঞ্জেকশন দেওয়া যেতে পারে। এবং ইঞ্জেকশন দেওয়ার পরে আপনারা নিজেরা সঙ্গে সঙ্গে হেঁটে যে ভাবে এসেছেন বাড়ি থেকে সেই ভাবে নিজেদের ফেরত যেতে পারে, নিজের কাজকর্ম করতে পারেন, শপিং মলে যেতে পারেন। এখানে কোনও কন্ট্রাডিকশন কিছু নেই। ব্যথা হবে ইমিডিয়েটলি।
সেরকম কোনও ব্যাপার কিছু নেই। এই ইঞ্জেকশনের অ্যাডভান্টেজ গুলো অনেক আছে এবং ইঞ্জেকশনের কিছু কিছু এখন আরও স্পেক্ট্রাম অফ ইউজ আছে। যেমন আমরা জয়েন্টের মধ্যে এসিএল রিকনস্ট্রাকশন করলে, লিগামেন্ট রিকনস্ট্রাকশন করলে তখন আমরা দিতে পারি। এটা খানিকটা পরে আর কি। তো এইগুলি তো খুব সুবিধা কাজে দেয়। বা যারা ইয়াং পেশেন্ট আছে, যেখানে একটু আর্থ্রাইটিস হয়েছে এবং তারা চিন্তাভাবনা করছে ইন দ্য মিন টাইম, যখন তারা জয়েন্ট প্রিজারভেশন দিকে যেতে চায় এই সময়ে তারা নিতে পারে কানের দুল।
হাঁটুর ব্যথা: কারণ, লক্ষণ এবং চিকিৎসা
এটা গ্রিপিং করে দেয় জয়েন্টের মধ্যে যাতে জয়েন্ট ফ্রিকশন কম হয়। জয়েন্ট যাতে মোবাইল থাকে এবং যা হাঁটাচলা করতে পারে। নিজে কাজকর্ম করতে পারে। ইনজেকশনের বেনিফিট খুব বেশি এবং আরেকটা সুবিধা হল, যেহেতু ইঞ্জেকশন আপনি নিলে যেহেতু পেনটা কমে যাচ্ছে, জয়েন্টের মধ্যে ইনজেকশনটা থাকছে তো কাজেই আপনার ওষুধ খাওয়ার মাত্রাটা অনেকটা কমে যাবে। ওষুধ খেতে চায়না কেন?
ওষুধ পছন্দ করেন? অনেকগুলো ওষুধ আমরা দিতে চাই আর কি। ওষুধে খরচটা বাড়ে। নাম্বার অফ মেডিসিন ড্রাগস অনেকটা বেড়ে যায়। সেটা ইঞ্জেকশন দিলে আমরা ড্রাগস। আমরা প্রেসক্রাইব যেটা করি সেটাও কমে যেতে পারে। সেটা একটা কোল্যাটারাল অ্যাডভান্টেজ আরকি। তো ইনজেকশনটা এমন হয় যদি কেউ ওয়েট করছেন রিপ্লেসমেন্টের জন্যে বা হচ্ছে জয়েন্ট পেইন সৌজন্যে তাদের জন্যে একটা ইঞ্জেকশন, একটা খুব ভালো সলিউশন। এটা নিশ্চয়ই আপনারা কনসিডার করবেন।





