Achilles Glass Medicine

আসসালামু ওয়ালাইকুম। আজকে একিলিস গ্লাস মেডিসিন সম্পর্কে আলোচনা করব। বর্তমানে একিলিস গ্লাস মেডিসিন টি কেবল ট্যাবলেট ফর্মে পাওয়া যায়। এর জেনেরিক নাম হচ্ছে ম্যাকলিন হাইড্রোক্লোরাইড এবং পাইরিডক্সিন হাইড্রোক্লোরাইড। মেডিসিন টি এর স্কয়ার ফার্মা লিমিটেড কোম্পানির প্রোডাক্ট। আজকের অ্যাকিলিস প্লাস মেডিসিন কী কী সমস্যার ক্ষেত্রে খাওয়া হয়, এর খাওয়ার নিয়ম এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া খুবই সংক্ষিপ্ত এবং সহজ ভাষায় তুলে ধরব।

একিলিস প্লাস ট্যাবলেট এর প্রেগনেন্সি ক্যাটাগরি এ এবং বি ক্যাটাগরির হিসেবে ধরা হয়। তবুও ডাক্তারের পরামর্শ সাপেক্ষে এটি খেতে হবে। মাতৃদুগ্ধ কালীন ডাক্তারের পরামর্শ সাপেক্ষেই খেতে হবে। তবে না খাওয়াই ভালো। তবে মেডিসিন টি অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে খাবেন। কারণ একমাত্র ডাক্তারই রোগীর সব ধরনের কথা বিবেচনা করে সঠিক ওষুধ নির্ধারণ করতে পারে।

Equilis Prequenza সমগ্র ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস এবং Iscom-Matrix সহায়ক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ইকুইন ইনফ্লুয়েঞ্জার বিরুদ্ধে সক্রিয় টিকা প্রদান করে।

ম্যাকলিন হাইড্রোক্লোরাইড এবং পাইরিডক্সিন হাইড্রোক্লোরাইড

অ্যাকেলিস প্লাস ট্যাবলেটটি মূলত বমি ও বমি বমি ভাব প্রতিরোধে ব্যবহার হয়। এছাড়া মাথা ঘোরা, ভ্রমণ জনিত অসুস্থতা, রেডিয়েশন জনিত অসুস্থতা, ভেস্টিবুলার সিস্টেমের রোগের কারণে মাথা ঘোরা, গর্ভকালীন মর্নিং সিকনেসের ক্ষেত্রেও এবং মোশন সিকনেসের ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার হয় মূলত মোশন সিকনেসের কারণে। বমি বমি ভাব, বমি এবং মাথা ঘোরা নিয়ন্ত্রণে এটি ব্যবহার হয়।

ওষুধ খাওয়ার পরে, বমি বমি ভাব প্রতিরোধে এবং মাথা ঝিমঝিম ভাব প্রতিরোধেও এটি ব্যবহার হয়। কখনও কখনও জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি বা এস্ট্রোজেন প্রভাবিত বমি রোধেও এটি নির্দেশিত। অ্যাকিলিস পিলস মেডিসিন টি অবশ্যই প্রেসক্রিপশনের নিয়মানুসারে খাবেন। সেবনের 30 থেকে 30 মিনিটের মধ্যে এ ওষুধটি কাজ শুরু করে এবং এই ওষুধটি খাওয়ার বারো থেকে চব্বিশ ঘণ্টা পর্যন্ত কাজ করে। সাধারণত বিভিন্ন সমস্যা ভেদে ওষুধ খাওয়ার নিয়ম বিভিন্ন রকম হয়ে থাকে।

বমি বমি ভাব প্রতিরোধে এবং মাথা ঝিমঝিম ভাব প্রতিরোধ।

তবে প্রাথমিক মাত্রায় বারো বছরের উপরে বয়সীদের ক্ষেত্রে এটি দিনে একটি থেকে দুইটি করে খাওয়া যায়। এটি খাওয়ার আগে বা পরেও খাওয়া যেতে পারে। ট্যাবলেট টিতে বেশ কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে। কিছু রোগীর ক্ষেত্রে কিছু সমস্যা দেখা দিতে পারে। সকল রোগীর ক্ষেত্রে সমান সমস্যা দেখা দেয় না। এটি খাওয়ার পরে ঝিমুনি ভাব, শুষ্ক মুখ, প্রস্রাব আটকে থাকা, ঝাপসা দৃষ্টি ইত্যাদি ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে কেউ যদি দীর্ঘদিন এটি ব্যবহার করে থাকে তবে তার নিউরোপ্যাথি সমস্যা দেখা দিতে পারে। সবাই সুস্থ থাকুন। আল্লাহ হাফেজ।

Leave a Comment