আসসালামু আলাইকুম। আজকে কথা বলব কিডনির সমস্যায় আপনি কিভাবে এর থেকে মুক্তি পাবেন। অনেকেই বলে থাকেন যে আমি কিডনির ওষুধ অনেক খেয়েছি কিন্তু কাজ করছে না। তাহলে এই ভিডিওটি আপনি সম্পূর্ণ দেখতে হবে। কিভাবে খেলে আপনার কিডনির সমস্যার সমাধান হবে। আমরা আলোচনা করার চেষ্টা করব। কিডনির ওষুধ বাজারে অনেক রকমের আছে।
কিন্তু আপনার কোন ধরনের কিডনির সমস্যা সেটি আপনি যখন ডক্টরের সাথে আলোচনা করবেন, কথা বলবেন ডক্টর কিন্তু তখন বুঝতে পারবে আপনাকে কি তখন সোলাস সিরাপ দিবে না ট্যাবলেট দিবে অথবা নাকি অন্য কোন ব্র্যান্ডের আপনাকে কৃমির ওষুধ দিবে সেটি ডিপেন্ড করবে আপনার সমস্যার উপর। মূলত এই সোলাস সিরাপ অথবা সোলাস ট্যাবলেটটি তিন চার ধরনের কিডনির সমস্যায় ভাল কাজ করে থাকে।
যেমন সুতা, কৃমি, ফিতা কৃমি, কেঁচো কৃমি এবং হুক। কৃমির চিকিৎসার জন্য খুব ভালো ভাবে এই সোলাস সিরাপ অথবা ট্যাবলেটটি ব্যবহার করে থাকেন ডাক্তারেরা। মূলত ল্যাভেন্ডার জল একটি সিনথেটিক ব্রড স্পেকট্রাম এন্টি হিউম্যান টিক্স যা বেশিরভাগ নেমাটোড এবং কিছু অন্যান্য কৃমির বিরুদ্ধে সক্রিয়ভাবে কাজ করে থাকে।
শিশুদের কৃমি ডোজ
এই সোলাস সিরাপটি যার জেনেরিক নাম ল্যাভেন্ডার ইউএসপি এই সিরাপ অথবা ট্যাবলেট আপনি কখন খাবেন, কিভাবে খাবেন? খাওয়ার আগে না পরে সম্পূর্ণ বিষয় থাকবে এই ভিডিওতে। আপনি মূলত যদি সুতা কৃমি হয়ে থাকে তাহলে আপনাকে এক চামচ করে প্রতিদিন দুই বেলা এভাবে টানা তিন দিন খেতে হবে।
খাওয়ার পরে খেতে পারেন। কোন সমস্যা নাই। খাওয়ার আগেও যদি চান খেতে পারেন। কোন সমস্যা নাই। তবে খাওয়ার পরে খাওয়াই সবচেয়ে ভালো রেজাল্ট আসে। এবং যদি আপনার ফিতা কৃমি বা কেচকি বা হুমকির মতো হয়ে থাকে তাহলেও আপনি এই সোলাস টেবলেট অথবা সিরাপটি খেতে পারেন। তাও আপনাকে প্রথম দিন সকালে একটি টেবলেট খেতে পারবেন এবং এই ট্যাবলেটটি চুষে খাবেন। রাত একটি খাবেন।
এভাবে ছয়টি টেবলেট তিন দিনে শেষ করবেন যদি তারপরও এর থেকে আপনি মুক্তি না পান। আপনি কিন্তু এই সোলাস ট্যাবলেটটি আবার দুই সপ্তাহ পর আবারও খেতে পারবেন। তবে মনে রাখবেন আপনার বয়স কমপক্ষে দুই বছরের উপরে হতে হবে। যাদের বাসায় অনেকজন মিলে থাকেন। এই কৃমির ওষুধ যখন আপনি সেবন করছেন আপনার ফ্যামিলিতে সবাইকে মিলে সেবন করতে হবে।
সোলাস টেবলেট চুসে খেতে হয়।
শুধু পার্টিকুলার একজন ব্যবহার করবেন কৃমিনাশক ওষুধ। আপনি হয়তোবা ভালো থাকবেন। কিছুদিন পর আপনার পাশের যে থাকছে আপনার পরিবারের অন্যান্য সদস্য তাদের থেকেও আপনার কিন্তু কৃমির সমস্যাটি আবার নতুন করে আসার সম্ভাবনা থাকে অন্তত আশি পার্সেন্ট। কিন্তু পরিবারে যদি তিনজন সদস্য থাকেন অথবা চারজন থাকেন, সবাই চেষ্টা করবেন।
একসাথে কৃমির ওষুধ খাওয়ার জন্য এবং একটি ঘুমের ওষুধ খাইলে আপনার তখনই ভালো রেজাল্ট পাবেন। নির্দিষ্ট ছয় মাস তিন মাস পরপর যদি আপনি রেগুলার সবাই মিলে কৃমির ওষুধ খান তাহলেই কিন্তু আপনি কৃমি থেকে মুক্তি পাবেন। এখন বলে রাখি এই মেডিসিন টি কারা খেতে পারবেন না। মূলত যারা প্রেগনেন্সি অবস্থায় রয়েছেন, কনসিভ করেছেন আপনার তিন মাসের ভিতরে আপনি এই সোলাস ট্যাবলেটটি অথবা সিরাপটি খেতে পারবেন না।
আপনি যদি একান্তই খেতেই হয় অতিরিক্ত কোনো সমস্যায় পড়েন অবশ্যই রেজিস্টার্ড ডক্টরের সাথে আলোচনা করে নিবেন। মনে রাখবেন, কৃমি সমস্যায় এক জন একই পরিবারের এক জন চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হতে পারবেন না। আপনাকে সবাই মিলে সুস্থ থাকতে হবে। সবার ভিতর থেকে কৃমি দূর হতে হবে। ফার্মাকোলজি আলাদাভাবে বলা আছে।
সোলাস টেবলেট পাশ্বপ্রতিক্রিয়া
আপনি যখন এই মেডিসিন টি খাবেন দুই থেকে দশ পার্সেন্ট ওষুধ আপনার গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল এ পৌঁছায় এবং সেখানে গিয়ে এটা ব্লাড এ টু পয়েন্ট এ আট থেকে নয় ঘন্টা পর্যন্ত থাকে। মানে দুই থেকে নয় ঘন্টা পর্যন্ত মেডিসিন টি একটিভ থাকে আপনার ব্লাডের ভিতরে। সেখানে গ্লুকোজের।
পরিমাণটা কমিয়ে দেয় যা কৃমির প্রধান উৎস হল গ্লুকোজ। এবং গ্লুকোজের পরিমাণ যখন কমে যায় তখন কিন্তু কিডনি গুলা আস্তে আস্তে মরে যায়। যখন মরে যায় সেটা আমাদের মলের মাধ্যমে বিভিন্ন মাধ্যমে বের হয়ে আসে। আমরা সেটা কিন্তু বুঝতে পারি না। আশা করি আপনারা যারা এই সোলাস অথবা সোলাস ট্যাবলেটটি খাবেন, সোলাস ট্যাবলেটটি অবশ্যই আপনাকে চুষে খেতে হবে। আর সোলাস সিরাপটি প্রতি এক চামচে রয়েছে 10 এমজি সোলাস উপাদান। মানি ম্যানেজমেন্ট এর জন্য ইউএসপি।
কৃমি হলে বুঝার উপায়:
তো অবশ্যই। আপনার বাচ্চার বয়স যদি 2 বছরের উপরে হয় কেবল আপনি তখনই আপনার বাচ্চাকে এই সোলাস সিরাপটি খাওয়াতে পারবেন। আশা করি আপনারা বুঝতে পেরেছেন। যদি বুঝতে না পেরে থাকেন কমেন্ট বক্সে লিখে জানাবেন। আমাদের ইউটিউব চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করবেন। আমাদের ফেসবুক পেজটি ফলো দিয়ে রাখবেন। আপনার মতামত অবশ্যই কমেন্ট বক্সে জানাবেন।





