সালাম ওয়ালাইকুম। আজকে গ্লোরিয়া মেডিসিন নিয়ে আলোচনা হবে। গ্লোরিয়া মেডিসিন টি বর্তমানে ফাইভ এমজি এবং টেন এমজি ট্যাবলেট ফর্মে পাওয়া যায়। এর জেনেরিক নাম হচ্ছে খুলনা রিজিয়ন। আজকে ক্যালসিয়াম ট্যাবলেট কী কী সমস্যার ক্ষেত্রে খাওয়া হয়। , এর খাওয়ার নিয়ম এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া খুবই সহজ এবং সংক্ষিপ্তভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করব। ক্যালসিয়াম ট্যাবলেটটি বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড কোম্পানির প্রোডাক্ট।
মূলত ট্যাবলেটটি গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানকালে ব্যবহার না করাই উত্তম। এই ফোরাম মেডিসিন টি বেশ কিছু সমস্যার ক্ষেত্রে ব্যবহার হয়। মেডিসিন টি মূলত মাইগ্রেন প্রতিরোধে ব্যবহার হয়। এছাড়া মাথা ঘোরানোর বিভিন্ন উপসর্গের ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার হতে পারে। ভ্রমণ জনিত অসুস্থতা, মাথা ঝিমঝিম ভাব বা মাথা ব্যথা, মৃগী জনিত খিচুনী, রক্তনালী বা ধমনীর বিভিন্ন সমস্যার ক্ষেত্রে ব্রেনের সাথে সম্পর্কিত। ভ্যাস্টিবুলার ভার্টিগো এ উপসর্গীয় চিকিৎসা (ভ্যাস্টিবুলার সিস্টেমের কার্যকরী সমস্যা। · পেরিফেরাল ভাসকুলার ডিজিস্। · ভ্রমণজনিত অসুস্থতা।
ভ্যাস্টিকুলার ভ্যাটিগো এ উপসর্গীয় কার্যকারী সমস্যা
রক্তনালীর বিভিন্ন সমস্যায় এমনকি স্টোক রোগের ক্ষেত্রেও এটি ব্যবহার হতে পারে। পেরিফেরাল ভাস্কুলার ডিজিজের ক্ষেত্রেও এটি নির্দেশিত। এছাড়াও আরো বিভিন্ন সমস্যার ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার হতে পারে। মেডিসিন টি অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ মোতাবেক ব্যবহার করবেন। কারণ একমাত্র ডাক্তারই একটি রোগীর সার্বিক দিক বিবেচনা করে ওষুধ নির্ধারণ করে থাকে এবং এর খাওয়ার নিয়মও প্রেসক্রিপশনের নিয়ম অনুসারে খাবেন।
প্রাথমিক চিকিৎসা ক্ষেত্রে খোলাবাড়িয়া পাঁচ থেকে দশ এমজি ট্যাবলেটটি দিনে এক থেকে দুই বার করে খাওয়া যেতে পারে। যদি একটি ডোজ হয় সেক্ষেত্রে শোয়ার আগে খেলে সব থেকে ভালো হবে ওষুধটি। বছরের ওপরে বয়সীদের ক্ষেত্রে ফাইভ এমজি এর বেশি না খাওয়াই উত্তম। আর বাচ্চাদের ক্ষেত্রে অবশ্যই সেটি ডাক্তারের পরামর্শ মোতাবেক নির্ধারণ হবে। তা ছাড়া এই মেডিসিন টি খাওয়ার ক্ষেত্রে বেশ কিছু নিয়ম অনুসরণ করতে হয়।
পেরিফুলার ভ্যাসকুলার ডিজিস
এজন্য এই মেডিসিন টি অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ মোতাবেক বা প্রেসক্রিপশনের নিয়ম অনুসারে খাবেন। ক্যালসিয়াম ট্যাবলেট টি খাওয়ার আগে খাওয়ার সাথে বা খাওয়ার পরেও খাওয়া যেতে পারে। মেডিসিনে বেশ কিছু সাইড ইফেক্ট আছে। তবে এর সাইড ইফেক্ট গুলো সকল রোগীর ক্ষেত্রে সমানভাবে দেখা দেয় না। এটি খাওয়ার পরে কিছু রোগীর ক্ষেত্রে বিষণ্ণতা, ক্লান্তি, ওজন বৃদ্ধি বা মুখের রুচি বৃদ্ধি হতে পারে।
বুক জ্বালা, বমি বা বমি বমি ভাব, ক্ষুধা মন্দা, দুশ্চিন্তা, শুষ্ক মুখ, বিভিন্ন পেশীতে ব্যথা, ত্বকে লালচে ভাব সহ আরও বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে। সবাই সুস্থ থাকুন। আল্লাহ হাফেজ।





