Treatment of Hepatitis B Positive

আসসালামু আলাইকুম। আশাকরি ভালো আছেন। আজকে খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয় আপনাদের সাথে শেয়ার করতে চাচ্ছে যে, বিষয়টা আমাকে কমেন্টস করে সবথেকে বেশি প্রশ্ন করা হয়েছে। ব্যাপারটি যদিও কষ্ট দেয় তারপরও ব্যাপারটি আমাদেরকে মেনে নিতে হবে। কারণ: কেউ চাই বা না একজনের জন্য আরও 10 জনের ক্ষতি হোক তবে। হ্যাঁ এই রোগ হলে আপনি বিদেশ যেতে পারবেন সেটা শুধুমাত্র

সেটা হচ্ছে হেপাটাইটিস বি পজিটিভ হলে বিদেশে যাওয়া যায় কিনা? আসলেই প্রশ্নের আদর্শ ধরছেন না হেপাটাইটিস বি পজিটিভ হলে আপনি বিদেশে যেতে পারবেন না। তাহলে কোন উপায় আছে কিনা বা বিরক্তি থেকে পরিত্রাণের উপায় কি? বিদেশে যেতে বাধাগ্রস্ত হতে হয়। এ বিষয়ে কিছু তথ্য আপনাদেরকে জানানোর চেষ্টা করব।

ক্ষমতা গড়ে না উঠলে, পাঁচ বছর পর চতুর্থদশ মানুষটার দোষ টিকা নিতে হবে। সম্পর্কে সম্পর্কে সম্পর্কে কোন প্রশ্ন থাকে।

সবচেয়ে মারাত্মক হেপাটাইটিস ভাইরাস কোনটি?

হেপাটাইটিস-বি থেকে কিভাবে পরিত্রান বা প্রতিরোধ গড়ে তোলা যায়। সে বিষয়ে জানার আগে আপনাকে জানতে হবে হেপাটাইটিস-বি রোগ টা আসলে কি?

আমিওতো ডিটেলস ভাবে রুটি সম্পর্কে বলবো না। শুধুমাত্র সংক্ষেপে এরূপ টা সম্পর্কে দু একটা কথা আপনাদেরকে জানাবো সেটা হল হেপাটাইটিস-বি এমন একটা ভাইরাসজনিত অসুখ। যার ফলে লিভার ক্ষতিগ্রস্ত বা নষ্ট হয়ে যায় হয়তো জেনে থাকবেন। হ্যাপি সাধারণ কোনো ছোঁয়াচে রোগ পায় আবার আরেক দিক থেকে বিবেচনা করলে। এটা মারাত্মক রকমের ভয়ানক সংক্রামক রোগ।

যেমন: আপনার কোন হেপাটাইটিস বি পজিটিভ কোন বন্ধু থাকলে বা আত্মীয় স্বজন থাকলে তাকে স্পর্শ করলে বা পাশাপাশি ভোঁসলে অথবা কোন ভাইরাসের মত এটা কোন হাঁচি-কাশির মাধ্যমে ছড়ায় না। সেটা সত্য তাহলে হেপাটাইটিস বি কিভাবে ছড়ায়? ছড়ায় হচ্ছে হেফাজতে আক্রান্ত। যেসব: মানুষ আছেন তাদের রক্তের মাধ্যমে তাদের বীর্য শরীরের অন্যান্য তরল পদার্থের সংস্পর্শে মাধ্যমে আমি আরেকটু খোলাসা করে বলি। যেমন: বাচ্চা মায়ের যদি হেপাটাইটিস বি পজিটিভ থাকে ।তাহলে জনগণের আগত বাচ্চা হেপাটাইটিস বি পজিটিভ হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়।

হেপাটাইটিস বি হলে কি বিদেশ যাওয়া যায়?


আবার ধরুন: একজন হেপাটাইটিস বি পজিটিভ আছে তার সাথে যদি আপনার অরক্ষিত সহবাস হয়ে যায়। আবার ধরুন আক্রান্ত ব্যক্তির সাথে মাদক নিয়ে ভাগাভাগি করে খেলেন ।আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহৃত একই পাত্রে পান করলেন পান করাতে যদি আক্রান্ত ব্যক্তির লালা থাকেভ আর সেই লালা যদি আপনার মুখে চলে যায় তাহলে কিন্তু আপনার হেপাটাইটিস বি পজিটিভ হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যাবে।

আবার অনেক সময় দুর্ঘটনাবশত আক্রান্ত ব্যক্তির ফুটানোর যদি আপনার শরীরে ফুটে যায়। এ ধরনের ঘটনায় ধরুন আপনি কোন মেডিকেল পার্সন আপনি এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির বজ্র পদার্থ পরিষ্কার করতে গিয়ে আপনার হাতে সংক্রামক যে, ব্যক্তি ছিল আবার দেশে আক্রান্ত তার ফুটে গেল তাহলে কিন্তু আপনি রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে থাকেন। আর হ্যা বর্তমানে আমাদের দেশে যেভাবে এর উক্তি বেশি সংক্রমিত হচ্ছে তার অন্যতম কারণ হচ্ছে শরীরে ট্যাটু করার বিষয়টি নিয়ে যে, সরঞ্জামগুলো দিয়ে ট্যাটু করা হয় ওই একই সরঞ্জামগুলি দিয়ে।


সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত নানান রকম মানুষকে ট্যাটু করা হচ্ছে । যদি সেই যন্ত্র গুলো ঠিকঠাক মতোই স্টেরিলাইজেশন মানে জীবাণুমুক্তকরণ না করা হয়। তাহলে কিন্তু একজন থেকে আরেকজনের ফেভারিট সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে পারে। তারপর রাস্তাঘাটে ফুটপাতে বিক্রি করা লেবুর শরবত জুস পানি পান করা ।এসব ক্ষেত্রেও হেপাটাইটিস বি পজিটিভ সংক্রমিত হতে পারে। সেখানে একটি গ্লাসে হাজার হাজার মানুষকে খাওয়ানো হচ্ছে।

হেপাটাইটিস বি কিভাবে প্রতিরোধ করা যায়?

এরকম পরিস্থিতিতে আমি মনে করি পৃথিবীর সবথেকে স্মরণীয় ছড়িয়ে পড়তে পারে। আবার বিভিন্ন পাবলিক সেলুন থেকেও কিন্তু এভাবে সংক্রমণ হতে পারে কারণ একই ব্লাড বাকিখোর সেখানে ব্যবহার করা হয়। সাধারণত সেখান থেকে হারিয়ে ছড়ানো অস্বাভাবিক কিছু না তাহলে বুঝতেই পারছেন। এরূপ কতটা সংক্রামক এবং ভয়াবহ রূপ হলে আপনার লিভার নষ্ট হতে পারে বা সাথে সাথে অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ সময়কে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

আর কোন দেশের কর্তৃপক্ষ চাইবে না এমন একজন সংক্রামক ফেভারিট এবি পজেটিভ কোন মানুষ তার দেশে আসুক । কারণে:আক্রান্ত মানুষটি থেকে তার দেশের জনগণ এবং সাথে থাকা অন্যান্য শ্রমিকসহ দেশ সংখ্যা ব্যাপারটি যদিও কষ্ট দেয় ।তারপরও ব্যাপারটি আমাদেরকে মেনে নিতে হবে কারণ কেউ চাইবে না। একজনের জন্য আরও 10 জনের ক্ষতি হোক ।তবে হ্যাঁ এই রোগ হলে আপনি বিদেশ যেতে পারবেন না সেটা শুধুমাত্র চিকিৎসার জন্য।

এবার আসুন জানি এই রুক্তি থেকে প্রতিরোধের কি? উপায় আছে। যার অলরেডি হেপাটাইটিস বি পজিটিভ হয়ে গেছে ।যারা এ রোগে আক্রান্ত হয়ে আছেন ।তাদের জন্য হেপাটাইটিস-বি সংক্রমিত জিনিসটা আর ভাইরাল প্রতিরোধে ওষুধ দিয়ে চিকিৎসা করা হয়ে থাকে ।এই ওষুধ রক্তে ভাইরাস এর পরিমাণ কমিয়ে ফেলার ফলে লিভার সিরোসিস লিভার ক্যান্সারের মতো বড় রোগের ঝুঁকি অনেক কমে আসে। বিয়ের উত্তম প্রতিরোধে টিকা নেয়ার মাধ্যমে ভাইরাসের বিরুদ্ধে উৎপাদনক্ষমতা পুরোপুরি তৈরি হয়ে যায়।

ফাইব্রোসিস ও লিভার সিরোসিস

এবং এই সংক্রমণ থেকে আজীবন সুরক্ষা পাওয়া যায়। প্রথম টিকা নেওয়ার একমাস পর দ্বিতীয় টি এবং প্রথম দোষ টিকা নেওয়া ছয় মাস পর প্রীতি অনুষ্ঠিত হয় তৃতীয় সম্পন্ন হওয়ার পর রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হতে হবে যে, টিকা নেয়ার ফলে রক্তে ভাইরাসের বিরুদ্ধে পর্যাপ্ত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা আপনার শরীরে গড়ে উঠেছে কিনা? পিন্টু সম্পন্ন হওয়ার পর।


ক্ষমতা গড়ে না উঠলে, পাঁচ বছর পর চতুর্থদশ মানুষটার দোষ টিকা নিতে হবে। সম্পর্কে সম্পর্কে সম্পর্কে কোন প্রশ্ন থাকে।

Leave a Comment